You are here
Home > সারা বাংলা > জেলার খবর > ৭২বছর পেরিয়েও বয়স্ক ভাতা মেলেনি হত দরিদ্র জারাফত আলীর।

৭২বছর পেরিয়েও বয়স্ক ভাতা মেলেনি হত দরিদ্র জারাফত আলীর।

মেহেরপুর প্রতিনিধি :

মেহেরপুর জেলার শোলমারী গ্রামের মোঃ জারাফত আলী ৭২ বছর বয়সেও পায়নি বয়স্ক ভাতা। অসহায় হত দরিদ্র মানুষটি আজ বয়সের ভারে মৃত্যু শয্যায়। পারিবারিক জীবনে ছেলে মেয়ে ৩ সন্তানের বাবা। জীবনসঙ্গী বেঁচে থাকলেও চোখে ভালো দেখেনা। সঞ্চয় বলতে কিছুই নেই,দিন মজুর সন্তান একমাত্র ভরসা। মনের দুঃখে ক্ষোভের সাথে তিনি বলেন শুনেছি ৬৫ বছর হলে নাকি পুরুষের বয়স্ক ভাতা দেয়,অামার  বয়সতো ৭ বছর আগেই ৬৫ পার হয়ে গেছে।  তবুও আমি তো আজও কিছু পেলাম না।আমি অনেক জনপ্রতিনিধির কাছে গিয়েছি কেও আমার জন্য কিছু করেনি। আমি খুব অসহায়। ৭২ বছর বয়সেও পায়নি বয়স্ক ভাতা। মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা তিনি। এই বৃদ্ধ বয়সে বেঁচে থাকার তাগিদে তিনি একটি বয়স্ক ভাতা কার্ডের জন্য ঘুরছেন জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে বিশ্বাস নিয়ে আশ্বাস মিললেও আসেনি কাঙ্খিত সময়।এ বছর না আগামী বছর,তারপর বলে পরের বছর আসেন। এভাবে কয়েক বছর ঘুরলেও, ঘোরেনি তকদির গুনে তদবির।  কেউ তার জন্য একটি বয়স্ক ভাতা কার্ডের ব্যাবস্থা করে দেননি।সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়স্ক ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষের সর্বনিম্ন ৬৫ বছর এবং নারীর বয়স ৬২ বছর সে অনুযায়ী ৭২ বছরে  বয়স্ক ভাতা পাওয়ার যোগ্য হলেও কেও সহযোগিতায় এগিয়ে আসেনি। বয়স ৭২ বছর ১০ মাস পেরিয়ে ৭৩ ছুঁই ছুঁই।  অর্থের অভাবে নানা সংকটে ভুগছেন।  বয়সের ভারে রোগেশোকে তিনি ভারাক্রান্ত।  চিকিৎসা তো দূরের কথা,তিন বেলা খাবার জোটানোও তার জন্য কষ্টকর। এ পরিবারটির দাবী অনেক জনপ্রতিনিধিদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলেও কপালে অাজও জোটেনি ইউনিয়ন পরিষদের বা সরকারি সহযোগিতা।  এ বিষয়ে ১নং কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সহিদুল অালম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অাপাতত বয়স্ক ভাতা কার্ড নেই,যখন আসবে তখন দেওয়ার চেষ্টা করবো। এবং জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী প্রবীন এ ব্যাক্তিকে বয়স্ক ভাতা কার্ডের আওতায় নিয়ে আসার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা ও জেলার সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave a Reply

Top