You are here
Home > প্রচ্ছদ > ‘৩০ লাখ টাকায় বিএনপি নেতা মিঠুকে হত্যা’

‘৩০ লাখ টাকায় বিএনপি নেতা মিঠুকে হত্যা’

স্টাফ রিপোর্টারঃ ৩০ লাখ টাকার বিনিময়ে পরিকল্পিতভাবে খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আলাউদ্দিন মিঠুকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি দিদার আহমেদ। মঙ্গলবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

এসময় তিনি বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ড. মামুন রহমান যিনি বিদেশে থাকেন, তিনি এই টাকা ফুলতলা থানা বিএনপির সদস্য সচিব হাসনাত রিজভী মার্শালকে দিয়েছেন। মার্শাল এই টাকা হত্যাকারীদের মধ্যে লেনদেন করেছেন। আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও পারিবারিক বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরদার আলাউদ্দিন মিঠু ও ড. মামুন রহমান দু’জনই খুলনা-৫ (ফুলতলা-ডুমুরিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হওয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন। এজন্য মিঠু হত্যায় বিএনপি নেতা ড. মামুন হত্যাকারীদের পারিবারিক বিরোধকে কাজে লাগিয়েছেন। তবে তদন্তে মিঠু হত্যাকাণ্ডে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতার সম্পৃক্ততা এখনো পাওয়া যায়নি।

রেঞ্জ ডিআইজি দিদার আহমেদ বলেন, ‘বিএনপি নেতা সরদার আলাউদ্দিন মিঠুসহ জোড়া হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, এনআইসি ডিএসবি, ডিবি ও র‌্যাব সম্মিলিতভাবে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকারীদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ ও তথ্যের ভিত্তিতে নিহত মিঠুর দেহরক্ষী ফুলতলা উপজেলার দামোদর গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে শিমুল হাওলাদার, মৃত জিন্নাহ ভুঁইয়ার ছেলে মুশফিকুর রহমান রিফাত, একই গ্রামের মৃত আব্দুল হান্নান ভুঁইয়ার ছেলে ফুলতলা থানা বিএনপির সদস্য সচিব হাসনাত রিজভী মার্শালকে গ্রেফতার করা হয়।

উল্লেখ্য, ২৫ মে রাতে দলীয় নেতা কর্মীদের নিয়ে মিঠু ফুলতলার দামোদরে তার নিজ অফিসে বৈঠক করছিলেন বিএনপি নেতা মিঠু। এ সময় ডিবির পোশাক পরে ৪টি মোটর সাইকেলযোগে সাত/আটজন লোক সেখানে প্রবেশ করে মিঠুর মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

Leave a Reply

Top