স্বেচ্ছাসেবকলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আগে তিন থানায় কমিটি – Live News BD, The Most Read Bangla Newspaper, Brings You Latest Bangla News Online. Get Breaking News From The Most Reliable Bangladesh Newspaper; livenewsbd.co
You are here
Home > সারা বাংলা > জেলার খবর > স্বেচ্ছাসেবকলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আগে তিন থানায় কমিটি

স্বেচ্ছাসেবকলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আগে তিন থানায় কমিটি

ইমন খানঃ

গাজীপুর মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটির মেয়াদ দুই বছরের অধিক সময় অতিবাহিত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশ থাকা শর্তেও এখন পর্যন্ত কোন থানা,ওয়ার্ড এমন কি নগরের পূণাঙ্গ কমিটি করতে পারে নাই প্রতিষ্ঠাতা এই কমিটি। যদিও সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের যুক্তিটি ছিল যুক্তি সংগত। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচনের কিছুটা বিরম্ভনা তারা পোয়াতে হচ্ছে। বর্তমান নগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের কমিটি মূল দলের পরই তাদের অবস্থান। ছাত্রলীগের কমিটি নেই,যুবলীগের কমিটির মধ্যেও কোন্দল লেগে থাকায়,অনেকেই সেবকলীগ কে বর্তমানে পাইয়েরেটী দিচ্ছে । সেই সুত্র ধরে বর্তমানে মহাচাঙ্গা গাজীপুর মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ। এই ধারা অব্যহত রাখতে ও সামনে আওয়ামীলীগের জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে কমিটির প্রতি তোর জোর শুরু করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। তাই গাজীপুরেও এর ব্যতিক্রম নয়। ২৫ শে জুলাইয়ের আগে নগরের কাশিমপুর ,কোনাবাড়ি,বাসন থানা ও ওয়ার্ড কমিটি দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে সেবকলীগের হেভিয়েট এই দুই নেতা।

নগরের সভাপতি সনজিত কুমার মল্লিক বাবু বলেন,জুলাই মাসে এই তিন থানা সহ বেশ কিছু কমিটি দেওয়ার ইচ্ছে আছে আমাদের। সব কিছু ঠিক থাকলে অতি দ্রুত কমিটি দিয়ে দিব আমরা।

অপর দিকে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও সিটির ৩৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী মোঃ মনিরুজ্জামান মনির বলেন,আমরা নগরের কমিটি পাওয়ার পর সব কটি থানা ও ওয়ার্ড কমিটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি কিন্ত ২ টি নির্বাচনের কারনে তা আর হলো না। এবার আমরা কমিটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করি এই মাসেই এই তিন থানায় কমিটি দিয়ে দিবো।

তিনি আরো বলেন,গাজীপুর ১ আসনের সাংসদ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আলহাজ্ব এ্যাডঃ আকম মোজাম্মেল হক ও গাজীপুর সিটির মাননীয় মেয়র ও নগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ্যাডঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে,বাসন,কোনাবাড়ি ও কাশিমপুর থানা ও ওয়ার্ড কমিটি এই মাস থেকেই শুরু করবো। ২ বছর পর কমিটির আভাস পেয়ে তৃণমুল নেতারা আনাগোনা দিচ্ছেন,নেতাদের কাছে। যদিও নিয়ম অনুযায়ী তাদের বায়োডাটা আগেই নেয়া হয়েছে,এখন শুধু নিয়ম মানার পালা। সব হিসেব কষেই কাকে কোথায় দেওয়া যায় সেটাই সভাপতি/সম্পাদকের আগেই সেলেক্ট করা ।


এই ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে আছেন,কাশিমপুর থানা স্বেচ্ছাসেবকরীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ তুহিন মোল্লা,বাবা গিয়াস উদ্দিন মোল্লা দীর্ঘদিন আওয়ামীলীগের সভাপতি থাকাবস্থায় জনপ্রতিনিধি করেছেন । পিতার সুত্রধরে তিনিও অনেকটা এগিয়ে আছেন বলে অনেকে মনে করছেন। তথ্য সুত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন পদ পদবীর ঊদ্ধে থেকে মিছিল,মিটিং আন্দোলন সংগ্রাম সহ দলীয় সকল কাজে অগ্রভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই তুহিন মোল্লা। তাই সভাপতি পদটি পেতে তার তেমন কোন সমস্যা হবে বলে অনেকে মনে করছেন না। অন্যদিকে সভাপতি হিসেবে ভায়োডাটা জমা দিয়েছেন সভাপতি প্রার্থী মোঃ শরিফ হোসেন বেপারী। পিতা মাতার ঔতিহ্য ধরে রেখে স্বেচ্ছাসেবকলীগের পতাকাতলে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা সব সময় তার মাঝে। অনেকে মনে করছেন সভাপতি হিসেবে শরিফ বেপারীর নাম শোনা যাচ্ছে সবত্রে। তবে যোগ আর বিয়োগ ফলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ন এই দুইটি পদ এই দুইজনের মধ্যে সীমা বদ্ধ থাকারা সম্ভবনা বেশি।
কোনাবাড়ি থানায় হেভিয়েট প্রার্থী মোঃ আজিজুল বারী হেলাল। দীর্ঘ ১৪ বছর সাবেক কোনাবাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ন আহবায়কের পদটি ধরে রেখেছেন। মেট্রো থানা হওয়ার পর তার কমিটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। তাই কোনাবাড়ি থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি হিসেবে হেলালের নাম শোনা যাচ্ছে অনেকের মুখেই। অপর প্রাথর্ী এ আর তাজুল ইসলাম নয়ন,দীর্গদিন পদ পদবীর ঊদ্ধে থেকে অগ্রভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই নয়ন। মিছিল মিটিং আন্দোলন সংগ্রাম সবই ছিল তার মেধা। তাই সভাপতি পদটি তারও দাবিদার। কোনাবাড়ি সভাপতি প্রার্থী হিসেবে আরো ২ জন প্রার্থী মোঃ রাকিব হাসান ও কাজী শাহাদাৎতের নাম শোনা যাচ্ছে।


বাসন থানার সভাপতি প্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন,বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য। তিনি সভাপতি হিসেবে ভায়োডাটা জমা দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ছাত্রলীগ,যুবলীগ,আওয়ামীলীগের সকল প্রোগামে অগ্রভাগে নেতৃত্ব দিয়েছেন মোঃ আনোয়ার হোসেন। সভাপতি পদটি তার পাওয়ার সম্ভবনা অনেকটাই বেশি বলে অনেকে মনে করছেন। মোঃ ফরহাদ আহমেদ সুমন সভাপতি পদটি পাওয়ার দাবিদার অনেক ক্ষেত্রে,বিগত দিনে পদ পদবীর ঊদ্ধে থেকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ফরহাদ আহমেদ সুমন। সভাপতি প্রার্থী মোঃ মহিম উদ্দিন মহি,তিনিও বিভিন্ন মিছিল,মিটিংয়ে সকলের সাথে মিলেমিশে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী অন্যতম ২ জন একজন মোঃ লিটন হাসান,কাজী আজিম উদ্দিন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতির পদটি ছিল তার দখলে। বাসন থানা সাধারণ সম্পাদক পদটি তিনি পেতে পারেন বলে অনেকেই মনে করছেন। অপর প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম সুমন,তিনিও সাধারণ সম্পাদক পদটি পেতে মরিয়া,বিভিন্ন ভাবে আওয়ামীলীগের প্রোগামকে সফল করার জন্য অগ্রভাগে নেতৃত্বে দিয়েছেন।
এই তিন থানায় ওয়ার্ড ও থানা মিলিয়ে বায়োডাটা জমা পড়েছে প্রায় ১ হাজারেরও বেশি। তাই সঠিক সিদ্ধান্ত ও সঠিক নেতৃত্ব আশা করছেন তৃণমূল নেতার।

Leave a Reply

Top