You are here
Home > দূরনীতি ও অপরাধ > সুন্দরী পরী নুসরাতের ছোবলে একাধিক পুরুষ।

সুন্দরী পরী নুসরাতের ছোবলে একাধিক পুরুষ।

পগর মাহমুদ সাগর :


নাম নুসরাত, পিতা মান্না, মাতা চাঁনবানু, রওনাক গ্রামে, দুর্গাপুর ইউনিয়,  গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার তার বাড়ি। শিক্ষা জীবনে নুসরাত এইসএসসি (ডিপ্লমা) পাশ করছে। প্রবাদে আছে শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। তবে লেখাপড়া করে জ্ঞান অর্জন করে মানুষ সমাজে ভাল কাজ করে সমাজে উন্নতির শিখরে পৌছে।  নুসরাতের বেলায় তার ব্যাতিক্রম। তার অনৈতিক কাজের মধ্য দিয়ে সে সমাজে বিষধর সাপে পরিনত হয়েছে। যার ছোবলে এখন নিঃস্ব মীর মামুন সহ একাধিক পুরুষ যুবকেরা।  পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নারী কেলেঙ্কারীতে জড়িয়ে জীবনের সব কিছু কেড়ে নিয়ে পথে বসিয়েছে একাধিক যুবকদের এই বিষধর নারী নুসরাত। এক মিথ্যে ধর্ষণ মামলায় আমাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে বললেন মামুন। 

অনুসন্ধানে জানা গেছেপুলিশের তদন্তে মামলা নির্দোষের সত্যতা প্রমাণিত করেছেন, পুলিশের ইনভেস্টিগেশনে প্রমান হয় আমি সম্পুর্ন,নির্দোষ,, আমাকে কেন মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করে জেল খাটিয়েছে, এর বিচার কি হতে পারে? অনুসন্ধানে জানা যায় কালিগন্জ থানাধীন নুসরাত    গ্রামে মাদ্রাসায় পড়াশোনা কালিন এক ছেলের সাথে সম্পর্কে গড়ে উঠে সেখানে সে বিয়ে না করে পরে অপর এক প্রবসীর ছেলের সংগে বিবাহ হলে সেই সংসারে একটি পুএ সন্তান জম্মদেন, নাম রাখেন সামিউন রাফি  সংসারটি বেশিদিন টিকেনি,তবে এলাকায় সমালোচনা পরতে হয় নুসরাতের। কালক্রমে নাম বদলায় নুসরাত , এলাকা ছেড়ে ঢাকা চলে আসে নুসরাতের নামে  শাহনুর লাগায়, শাহ নুরের নামই ,নুসরাত কালক্রমের মত তার নাম বদলায়, একাধিক নামের অধিকারী জানা যায় তার দশ নামের দশটি মোবাই সিম ব্যবহার করে তর কিছু বিবরণ দেয়াযাক,(১) নুসরাত জাহান ০১৯১৭*৫৮৮১৩,(২) নুসরাত ০১৬১২*৭৪৭৯৭,(৩) nusrat01920*38513,(৪) শাহনুর জাহান ০১৮৪০*৭৮৯৬৮ ইত্যাদি।  যাহা আইকোন সার্স দিয়ে ভিন্ন  নামের ফোন নম্বর সহ ফেইসবুক স্ট্যাটাসও এসে যায়,যাহা একইব্যাক্তি  একাধিক নামের আইডি। এক অনুসন্ধানে জানা যায় এই সর্পনারীর একাধিক মামলা আছে মামুন বলেন এই ছলনাময়ী সর্পনারীর ব্যাবসা হচ্ছে সমাজের উচ্চবর্গের ছেলেদের জন্য ফাঁদ পেতে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়া,মামুন বলেন এই পযর্ন্ত এই নারী ১০/১২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।ছেলেদের সাথে অভিনয় করতে বড়সড় এক নাগীনি, মামুন বলেন আমার মানসম্মান  ফেরৎ পাওয়া যাবে? বিভিন্ন নামের অধিকারী এই ডাইনোসর সর্পনারী আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে তোয়াক্কা করে না,চ্যালেন্স করে সর্পনারী বলেন দেশের পুলিশ আর্মি বিজিবি সহ সকল আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আমার হুকুমের গোলাম,তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে  চাকর ও টাকার কিনা কুকুর বেড়াল বলতে কোন দিধানেই, অথচ   আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সমাজের  জনগণের বন্ধু হয়ে কাজের উৎস।আমি বলি এই সর্পময়ীনারীর ছোবলে আর যেন কোন পুরুষের জীবন নষ্ট না হয়, এমন নারীরাই  নারী সমাজের কেলেঙ্কারি। সর্পনারী সদাসর্বদা শরীর চর্চায় ব্যাস্ত,নিজেকে সাজিয়ে গুজিয়ে পুরুষ আকার্ষনে পরিপাটি করে রাখেন। আনু সন্ধানে যানা নুছরাতের ফ্যেমিলির রেকট এক ভাইয়ের বৌ হিন্দু ছেলে সাথে চলে গেয়েছিল,  আরেক ভাইয়ের বৌউ চাচা তো ভাইয়ের সাথে চলে গেয়েছিল, আরেক ভাই মামার বৌউ মানে মামিরে নিয়া পালিয়ে গিয়ে  এখন কাপাসিয়া  ফুলবাড়িয়া থাকে। ওদে বাবা আবদুল মান্নান,  উনি নিজেই  ঘরজামাই থাকেন।নুসরাত জাহান স্থানীয় দাখিল মাদ্রাসায় লেখাপড়ার সময়,, প্রথম প্রেম এক ছেলের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলে।   সে সম্পর্ক বেশি দিন টিকেনি, কয়েক দিনের মধ্যে সম্পর্কে ফাটল ধরে,  তার কিছুদিন পর কাপাসিয়া পাকুন্দিয়ার মাসুদ নামের এক প্রবাসী ছেলের সাথে বিয়ে হয় তার। বিয়ের কিছুদিন পর তার কোল ঝুড়ে আসে ফুটফটে ছেলে সন্তান। সন্তানের নাম রাখা হয় সামিউল রাফি।  সন্তান হওয়ার পরও নুসরাত আবার পরকিয়া জড়িয়ে পরে। বিষয়টি জানতে পেরে নুসরাতের স্বামী তাকে ফেরানো বহু চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে নুসরাতকে ডিভোর্স দেয়। বাচ্চার বয়স ঠিবক তখন ৪ থেকে ৫ মাস ।  তখন নুসরাত সেই বাচ্চা রেখে তাইরুন্নেসায় নার্সিং এ ভর্তি হয়। এই নুসরাত নার্সিং কোর্স শেষ হওয়ার পর,, তাইরুন্নেসাতেই চাকরি শুরু করে, সেখানেই এক ডাক্তারের সাথে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই ডাক্তারের নাম জানা যায়নি।  ডাক্তারের সাথে সে সম্পর্কও বেশী দিন টিকেনি ফলে সেখানে থেকে চাকুরী চলে যায়।


সে চাকরি চলে যাওয়ার পর দিশেহারা হয়ে সাভারে এক গার্মেস্টর্স ফ্যাক্টরিতে চাকরি নেয়,   সেখানে কয়েকদিনের মাথায় সাভারের স্থানীয় এক ছেলের সাথে পরিচয় হয়,   সেখানে থেকে চলে দুজনার মন ও দেহ দেয়া নেয়া, এক পর্যায়ে সে সম্পর্ক নিয়ে যায় বহুদূর, বিভিন্ন যায়গায় রাতে একসাথে থাকা খাওয়া দাওয়া সবই হয়,  এ সম্পর্ক থাকাবস্থায় রং নাম্বারে আলী নামে আরেক প্রবাসী ছেলের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠে খবর নিয়ে জানা গেছে ঐ আলী বাড়ি গাজীপুর জেলায়। সম্পর্ক চলাকালীন সময়ে নুসরাত তাকে পছন্দের কথা জানায়, আলীকে নুসরাত বিয়েও করবে কথা দেয়।   মুখে কথা দিলেও তার মনে বেধেঁছে প্রতারণার ফাঁদ। সেই ফাঁদে ফেলার ষড়যন্ত্রের লিপ্ত হয়ে নুসরাত আলীর সম্পর্ক শক্তিশালী করে। এদিকে আলী নুসরাতের প্রস্তাবে সারা দিয়ে কলাকৌশলে তার কাছ থেকে তার বাড়ির ঠিকানা নেয়।  ঠিকানা নেয়ার পরে গোপনে নুসরাতের বাড়িতে আলির এক বোন কে পাঠালে আলীর বোন নুসরাতের বাড়িতে গিয়া দেখে নুসরাত আট বছর এক ছেলে সন্তানের জননী।  তার আগেই আলীর কাছে থেকে হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক লক্ষ টাকা।  আলীর বোনের কাছ থেকে নুসরাতের আসল খবর জানতে পারায় তৎক্ষনাত আলী-নুসরাতের সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়।   তার পর আলী দেশে এসে অন্য এক মেয়েকে বিয়ে করে।


এদিকে সাভারের গার্মেন্টস থেকেও নুসরাতে চাকরি চলে যায়।  সেখানে থেকে এসে নুসরাত তুরাগের কামারপাড়া মার্ক গ্রুপের এক গার্মেন্টর্সে চাকরি নেয়। এখানেও এই গার্মেন্টসের একাউন্টস অফিসারের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার এক পর্যায়ে জানাজানি হলে সেখান থেকেও চলে যায চাকরি।  এই বহুরুপি ছলনাময়ী পাপী মহিলা কোথাও গিয়ে টিকতে পারেনা।  কামারপাড়া থেকে চাকরি যাওয়ার পরে গাজীপুর মাওনা গোল্ডেন গার্মেন্টসে নার্স হিসেবে চাকরিতে যোগনাদ করে। সেখানেও এক ডাক্তার ও কয়েকজন ফ্যাক্টরির উপরস্থ কর্মকর্তা সাথে দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার এক পর্যায়ে গার্মেন্টর্সের এক কর্মকর্তার সাথে সিলেট এক হোটেলে রাত কাটায় বন্ধুমহল নিয়া তার ব্যাপক সমালোচনা পরতে হয় নুসরাতে,এরই ফাঁকে সু কৌশলে মামুনের  এক মহাপ্রলয়ের ফাঁদ।     

Leave a Reply

Top