সন্ত্রাসবাদ ও এনএসজির সদস্যপদ নিয়ে কথা হবে – Live News BD, The Most Read Bangla Newspaper, Brings You Latest Bangla News Online. Get Breaking News From The Most Reliable Bangladesh Newspaper; livenewsbd.co
You are here
Home > আন্তর্জাতিক > সন্ত্রাসবাদ ও এনএসজির সদস্যপদ নিয়ে কথা হবে

সন্ত্রাসবাদ ও এনএসজির সদস্যপদ নিয়ে কথা হবে

স্টাফ রিপোর্টারঃ সফল গণভোটের পর আরও ক্ষমতাবান তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান দুই দিনের সফরে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ভারতে পৌঁছেছেন। তাঁর এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় স্থাপন করবে বলে নয়াদিল্লির ধারণা।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে প্রভাবশালী পরমাণু প্রযুক্তি সরবরাহকারী গোষ্ঠীর (এনএসজি) সদস্যপদ পেতে ভারতের দাবি, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে তুরস্কের সহযোগিতা, সিরিয়া সংকট এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক। প্রসঙ্গত, ন্যাটো সদস্য তুরস্ক এনএসজির সদস্য।
নয় বছর আগে ২০০৮ সালে এরদোয়ান ভারত সফরে এসেছিলেন। তখন তিনি ছিলেন তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী। সেই অর্থে এখন নতুনভাবে বলীয়ান। ১৬ এপ্রিলের গণভোট তাঁকে আরও ক্ষমতাবান করে তুলেছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে সংসদীয় ব্যবস্থা থেকে তুরস্ক প্রেসিডেন্ট শাসিত ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হবে।
এনএসজি সদস্যপদ, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতা ছাড়াও এরদোয়ানের এই সফরের দিকে ভারতের আগ্রহের অন্য একটি কারণও আছে। ১০ বছর আগেও তুরস্কের এশিয়া-নীতি ছিল পাকিস্তানের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা। এরদোয়ানের ক্রমোত্থানের সঙ্গে সঙ্গে তুরস্কের সেই অবস্থানের বদল ঘটছে। এশিয়াকে তারা এখন আর স্রেফ পাকিস্তান ও চীনের স্বার্থের দৃষ্টিতে দেখছে না। দুর্বল হয়ে যাওয়া অর্থনীতিকে উজ্জীবিত করতে ভারতের বাজারের দিকে নজর দিয়েছে তুরস্ক। দেড় শ ভারতীয় কোম্পানি এখন তুরস্কে যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রকল্পে যুক্ত। শিক্ষা, প্রযুক্তি ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রের পরিধি বাড়াতে তুরস্ক ভারত থেকে সে দেশে যাওয়া উড়োজাহাজের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি ভারতে যোগাযোগের কেন্দ্রগুলোও বাড়িয়ে দিয়েছে। হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, কলকাতা ও চেন্নাইয়ের দিকে নজর দিয়েছে তারা। অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের খাতিরে তুরস্ক কয়েক বছর ধরে চীন, ভারত ও এশিয়ার অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বাড়িয়ে চলেছে। এরদোয়ানের কাছে ভারতের গুরুত্ব তাই অনেক। ভারত সফর শেষ করে এরদোয়ান যাবেন রাশিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রে। যোগ দেবেন ন্যাটোর বৈঠকেও।

এনএসজির সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে তুরস্কের সম্মতি ভারতের কাছে জরুরি। এই সফরে সেই বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হবে। কাশ্মীর ও পাকিস্তান সম্পর্কে তুরস্কের আগের অবস্থানের বদল ঘটে কি না, তা-ও লক্ষণীয়। এরদোয়ান রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

Leave a Reply

Top