You are here
Home > সারা বাংলা > জেলার খবর > শেখ রাসেল টুর্নামেন্টের অনুমোদন দেয়ায় বাবাকে চাকুরীচ্যুতও করেছিল সে সময়কার সরকার

শেখ রাসেল টুর্নামেন্টের অনুমোদন দেয়ায় বাবাকে চাকুরীচ্যুতও করেছিল সে সময়কার সরকার


           
বিশেষ প্রতিনিধি :


নারায়ণগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে এক অদ্বিতীয় প্রার্থী শারমিন আমির।পারিবারিক অবস্থান আর যোগ্যতায় একজন গুড ব্যাটার বেষ্ট ক্যান্ডিডেট হিসেবে সর্বত্রই আলোচনায় উঠে এসেছে তারুন্যদীপ্ত এ প্রার্থীর নাম।

শারমিন আমির নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৪নং ওয়ার্ডের নবীগঞ্জ এলাকার একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ৭১’রের বীর সেনানী মুক্তিযোদ্ধা রাশিদুল কবির। রাশিদুল কবির ১৯৭০ থেকে ৭২ সাল পর্যন্ত (ইষ্টার্ণ নিউজ এজেন্সী) এনা নামক একটি সংবাদ সংস্থায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিত্ব করেন। সংবাদ সংস্থাটি বঙ্গবন্ধুর বিধায় সে সময় সেটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর চলে যান স্বাধীনতা যুদ্ধে। যুদ্ধে অংশ নেয়ায় সে সময় শাসকগোষ্ঠীর দোসররা তাদের বাড়ী-ঘর জ্বালিয়ে দেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সে নরসিংদীর ইউএনসি জুট মিলে প্রধাণ প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালণ করেন। ১৯৮৫ সালে এরশাদ সরকারের শাসনামলে শেখ রাসেল স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্টের অনুমোদন দেয়ার অপরাধে তাকে ওই মিল থেকে চাকুরীচ্যুত করা হয়। পিতার আদর্শ ধারণ করে শারমিন আমির ১৯৯৫তে চট্রগ্রামের ড.খস্তগীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক,১৯৯৭ সালে চট্রগ্রাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ১৯৯৯ সালে খুলনার বিএল কলেজ থেকে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে,শারমিন আমির মূলতঃ আওয়ামী ঘরনার এবং একটি জনপ্রতিনিধি সমৃদ্ধ পরিবারের সদস্য। এ প্রসঙ্গে আলাপ হয় তার মামা ২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিক আহমেদের সঙ্গে।

আশিক আহমেদ লাইভ নিউজ বিডিকে জানান,শারমিন আমিরের বড় বাবা অখিলউদ্দিন আহমেদ ছিলেন নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান,বড় নানা জামালউদ্দিন আহমেদ বিভিন্ন সময়ে কদমরসুল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালণ করেন,তার অপরাপর নানা এম এ ওহাব বন্দরের একজন স্বনামধন্য সমাজ সেবক শিক্ষানুরাগী,দানবীর ও রোটারী ক্লাবের আন্তজার্তিক গভর্ণর ছিলেন। পাশাপাশি ডিষ্ট্রিক্ট কাউন্সিল এর সাবেক চেয়ারম্যান,পূবালী ব্যাংকের ডাইরেক্টর এবং কলাগাছিয়া ইউনিয়নের একজন নিবেদিত অভিভাবক ছিলেন এম এ ওহাব। নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহাম্মদ দুলাল প্রধাণ ও
সহ-সভাপতি তানভীর আহম্মেদ সোহেল সম্ভাবনাময়ী এ নারী সাংসদ প্রার্থীর চাচাতো ভাই। দীর্ঘ দিন লন্ডনে অবস্থান করায় সেখানেও কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা সাজ্জাদ হায়দারের সঙ্গে আওয়ামী রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। ওয়ান ইলেভেনের দলীয় সভানেত্রী গ্রেফতার হওয়ার পর সাজ্জাদ হায়দারের সঙ্গে
সেখানকার প্রবাসী বাঙ্গালীদের নিয়ে শেখ হাসিনার কারামুক্তির জন্য আন্দোলন করেন। এরপর দেশে ফিরেও যুবলীগের কমিটিতে প্রায় ১০ বছর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালণসহ রাজনীতিতে নিজেকে মেলে ধরতে শুরু করেন। রাজনীতি আর জনপ্রতিনিধিত্বের মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের সেবা করতে চান। এমপি হিসেবে মনোনীত হতে  পুরোপুরিই আশাবাদী শারমিন আমির।

Leave a Reply

Top