You are here
Home > জাতীয় > শিক্ষক নিয়োগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য অনুসরণ হচ্ছে নাঃ প্রধান বিচারপতি

শিক্ষক নিয়োগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য অনুসরণ হচ্ছে নাঃ প্রধান বিচারপতি

স্টাফ রিপোর্টারঃ প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ঐতিহ্য রয়েছে। সেই ঐতিহ্য  অনুযায়ী বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, একজন ভিসি (নাম উল্লেখ করেননি) পর্যন্ত ঐতিহ্য বজায় রেখে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো। তখন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে যারা প্রথম শ্রেণীতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হতেন তাদেরকে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হতো কিন্তু এখন আর সেটি হচ্ছে না। এটা অ্যালারমিং।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তোফায়েল আহমদের নিয়োগ অবৈধ নিয়ে শুনানিকালে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেলের উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন। ঢাবির দর্শন বিভাগের শিক্ষক তোফায়েল আহমেদের নিয়োগ স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে এসব কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।

প্রধান বিচারপতি আদালতে তোফায়েলের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তোফায়েল এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত মার্ক কম পেয়েছে। হাইকোর্ট তার নিয়োগ অবৈধ করায় তাকে ক্লাস করতে দেয়া হচ্ছে না। হাইকোর্টের রায় স্থগিতের আবেদন জানান তিনি। তবে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ রায় স্থগিত না করে ‘নো অর্ডার  দেন। এই আদেশের ফলে তোফায়েল আহমেদের নিয়োগ অবৈধ থাকলো বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। এর আগে গত ২৫ জুলাই নিয়োগ অবৈধ বিষয়ে জারি করা রুলের আংশিক মঞ্জুর করে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি আবু তাহের মোঃ সাইফুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সগীর আনোয়ার। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার গোলাম সারোয়ার পায়েল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও এএফএম মেজবাহ উদ্দিন। আর তোফায়েল আহমেদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম কে রহমান।

শুনানি শেষে গোলাম সরোয়ার পায়েল জানান, গত বছরের ২ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে দু’জন প্রভাষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনকারীদের এসএসসি ও এইচএসসিতে যোগ্যতা চাওয়া হয় সিজিপিএ (কিউম্যুলেটিভ গ্রেড পয়েন্টস অ্যাভারেজ)-৫ এর মধ্যে ন্যূনতম ৪.২৫। পরে দর্শন বিভাগ গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ৫ জনকে নিয়োগ দেয় ওই শিক্ষককে। কিন্তু নিয়োগ পাওয়া দু’জনের মধ্যে খন্দকার তোফায়েল আহমেদের সিজিপিএ-৩.১৯।

সিজিপিএর শর্তপূরণ না করার পরও তোফায়েলকে নিয়োগ দেয়ায় হা্ইকোর্টে রিট করেন শিক্ষক পদে আরেক আবেদনকারী এইচ এম মিরাজ সৌরভ। এ রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে ৩০ জানুয়ারি নিয়োগের সব শর্তপুরণ না করার পরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ায় রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

Leave a Reply

Top