You are here
Home > ইসলামিক জীবন > যশোরের ঐতিহ্যবাহি মার্কাজ মাদ্রাসাটি খুলে দেয়ার দাবি

যশোরের ঐতিহ্যবাহি মার্কাজ মাদ্রাসাটি খুলে দেয়ার দাবি

মোঃ আয়ুব হোসেন , বেনাপোল(যশোর) :

যশোরের ঐতিহ্যবাহি মার্কাজ মাদ্রাসাটি খুলে দেয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন যশোর উপশহরের মার্কাজ মসজিদের মহল্লাবাসি।

শনিবার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এদাবি জানান। মার্কাজ মাদ্রাসা এলাকাবাসি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হাজী ওয়াহিদুজ্জামান। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হাজী লোকামান, আব্দুল কাদের, আতিয়ার রহমান, ছিয়ামুর রহমান,হারুনর রশিদ, মিজানুর রহমান জান, ও কামরুজ্জামান মিঠু প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, ৩৫ বছর ধরে মার্কাজ মাদ্রাসা পরিচালিত হয়ে আসছে। সম্প্রতি সাদ ও জুবায়ের গ্রুপের রেশারেশিতে গত ২১ দিন যাবত মাদ্রাসাটি বন্ধ হয়ে আছে। গত ১৪ ছাত্র ভর্তিকে কেন্দ্র করে মাওলানা সাদ গ্রুপ ও মাওলানা জুবায়ের গ্রুপের মধ্যে মার্কাজ মসজিদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে মাওলানা সাদ গ্রুপের নেতৃত্বে থাকা রাজু, তাজু, উজির, ইয়ামিন, মুসল্লি নয় এমন একদল লোক এসে পূর্ব পরিকল্পনানুযায়ি মাদ্রাসার সব গেটে তালা লাগিয়ে দেয়।

এর আগে মাদ্রাসার ভিতরে ঘুমন্ত অবস্থায় ৮ থেকে ১৫ বছর বয়সী ৯২ জন ছাত্র টেনে হেচড়ে বের করে দেয়া হয়। একই সময় মাদ্রাসার শিক্ষক, সুরা সদস্য ও মুরবিদের শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করা হয়। তাদের পরিধেয় পোশাক ছিড়ে ফেলা হয়। অশ্লীল ভাষায় গালিগালাচ করে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়া হয়। এঘটচনার পর থেকে মহল্লাবাসি মাসওয়ারার মাধ্যম সিদ্ধান্ত নেয় যশোরের ঐতিয্যবাহি মাদ্রাসাটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দায়িত্ব নিয়ে পরিচালনা করবেন।

এই লক্ষ্যেই চিঠি আকারে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ওসি কোতয়ারি মডেল থানা, উপশহরের ইউপি চেয়ারম্যন ও প্রেসক্লাবকে অবগত করা হয়। একই সাথে জেলা ইমাম পরিষদ, জেলা ফতোয় বোর্ড, জেলা কাওমী ওলামা পরিষদ, তাবলীগ জামাতের মাও. সাদ গ্রুপ, মাও. জুবায়ের গ্রুপের সাথে আলাদা আলাদা মিটিং করা হয়। মাও. সাদ গ্রুপ ছাড়া সকলেই এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য সকল প্রকার সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করে। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ জুন শুক্রবার বাদজুম্মা মার্কাজ মহল্লাবাসি শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে মাদ্রাসা খুলে দেয়া হয়। সংঘর্ষের আশংকায় শনিবার সকালে প্রশাসনের উপস্থিতিতে মাদ্রাসা আবারো বন্ধ করে দেয়া হয়। রোববার সকালে সাদ ও জুবায়ের গ্রুপ নিয়ে সার্কিট হাউজে বসে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মাদ্রাসার সমস্যা সমাধান করা হবে।

Leave a Reply

Top