You are here
Home > সারা বাংলা > জেলার খবর > মির্জাগঞ্জে ভাতিজার বিরুদ্ব্যে ছেলে সন্তানহীন দৃস্টি প্রতিবন্ধী ভিটা বাড়ি লিখে নেয়ার অভিযোগ

মির্জাগঞ্জে ভাতিজার বিরুদ্ব্যে ছেলে সন্তানহীন দৃস্টি প্রতিবন্ধী ভিটা বাড়ি লিখে নেয়ার অভিযোগ

মীর মোঃ মাসুম বিল্লাহ,মির্জাগঞ্জ :

পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলায় সরল সহজ দৃস্টি প্রতিবন্ধী বৃদ্ধ চাচা  মোঃআব্দুল কাদের হাং (৭৫) পিতাঃ মৃত্যু তোমেজ উদ্দিন হাং এর ভিটা বাড়ি( ২৬ শতাংশ) জমি লিখে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে তার ই ভাতিজা মোঃফারুক হাং (৪৪)এর বিরুদ্ব্যে। আব্দুল কাদের হাং প্রতিবেক কে জানান, উপজেলার ৬নং মজিদ বাড়িয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড এর দক্ষিন মজিদবাড়িয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে স্ত্রী মোসাঃ রেহেনা  বেগম কে নিয়ে থাকতেন তিনি।তার স্ত্রী মোসাঃ রেহেনা বেগম (৫৭)  খুব ই সরল সহজ কানে ও কম শোনেন এবং নিজে দৃস্টি প্রতিবন্ধী, ভাল করে চোখে দেখতে পান না।তাদের কোন ছেলে সন্তান নেই।স্ত্রী কে  নিয়ে নিজ বাড়িতেই থাকতেন তিনি।কয়েকমাস পূর্বে  তার আপন বড় ভাইয়ের ছেলে মোঃ ফারুক হাং তাকে বলেন, এন জি ও থেকে টাকা উত্তলন করতে বাবার সাক্ষর লাগে কিন্তু বাবা না থাকায় চাচার সাক্ষর দিতে হবে তাই সুবিদখালী বাজারে যেতে হবে।আমি ভাতিজা ফারুকের কথায় বিশ্বাস রেখে তার সাথে উপজেলায় যাই এবং সে আমার কাছে কাগজে সাক্ষর দিতে বললে আমি টিপ সই ও সাক্ষর দেই।  কিছুদিন পড়ে আমার ভাতিজা মোঃশাহ আলম (৫৫) ফারুকের বড় ভাই অই দলিল দেখতে পায় এবং সে আমাকে বলে আমার ভিটামাটি সব লিখে নিয়েছে। আমি ফারুক কে জিজ্ঞেস করলে ফারুক আমাকে ধমক দিয়ে বলে আপনার তো কোন ছেলে মেয়ে নাই মরলে তো আমরা ই পাইতাম তাই আগেই নিয়েছি। আমাকে কোন টাকা পঁয়শা ও দেয় নাই।আমি আর আমার স্ত্রী মানুষের কাছে ভিক্ষা করে খাই।আমি এই বৃদ্ব্য বয়সে নিজের বাড়ি ঘর ছেড়ে  স্ত্রী কে নিয়ে পাশেই  শশুর বাড়িতে থাকি। এই ঘটনা চেয়ারম্যান, মেম্বর সহ এলাকার লোকজন  সবাই জানে। ফারুক আজ পর্যন্ত বাড়িতে এসে শালিসে বসেনি আমার কোন খোজ ও নেইনি।আমি আমার জমি বসত ঘর ফেরত চাই, আর না হয় বাজার দর এই জমির মুল্য চাই। আমি সবার কাছে আমার বসত বাড়ি ফিরে পেতে সাহায্য চাই।যাতে আমার মৃত্যুর পরে অন্য কারো স্থানে আমাদের লাস দাফন করতে না হয়।এব্যাপারে ফারুক হাং এর বড় ভাই মোঃশাহ আলম হাং ( ৫৫) বলেন,আমি জানি আমার ছোট ভাই ফারুক এই জগন্য কাজ করেছে আমি তাকে চাচার জমি ফিরিয়ে দিতে বলেছি সে দেয়নি। তার জমি ফিরিয়ে দিতে যে কোন সহযুগিতা করা দরকার আমি করব।৮ নং ওয়ার্ড এর ইউ পি সদস্য মোঃ মোজাম্মেল হোসেন বলেন,বিষয় টি অনেকবার আমরা  মিমাংসার চেস্টা করেছি ফারুক ঢাকা থেকে আসেনি।জমি অথবা জমির মুল্য যেন সে পায় আমরা তার জন্য সকলেই চেস্টা করব। অভিযুক্ত মোঃ ফারুক হোসেনের সাথে মুঠোফোনে এ বিষয় জানতে চাইলে  তিনি বলেন, আমি রেজিস্ট্রি দলিল করেছি, আমি টাকা দিয়ে দিয়েছি, চাচায় এখন মিথ্যে কথা বলে

Leave a Reply

Top