You are here
Home > সারা বাংলা > জেলার খবর > মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে চৌধুরী পরিবারের আকুল আবেদন —- শোভন চৌধুরী

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে চৌধুরী পরিবারের আকুল আবেদন —- শোভন চৌধুরী

ইমন খানঃ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন,গাজীপুরের ঐতিহ্যবাহী চৌধুরী পরিবার। গাজীপুরে গরীব এন্ড গরীব কোম্পানি কর্তৃক অবৈধভাবে ভবন ও জায়গা দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আলহাজ্ব হাফিজ উদ্দিন চৌধুরীর পক্ষে মুশফিকুর হাফিজ চৌধুরী (শোভন)। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গরীব এন্ড গরীবের কোম্পানির সাথে গত ২০০৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ভবনের ৬টি ফ্লোর ভাড়ার চুক্তি বলবৎ ছিল। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় অন্য একটি কোম্পানির সাথে নতুন ভাবে ফ্লোর ভাড়ার চুক্তি করা হয়। গরীব এন্ড গরীবের কোম্পানির সাথে চুক্তি শেষ হওয়ায় তাদেরকে বার বার নিচতলার ফ্লোর ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়। কিন্তু ভবনের ৬টি ফ্লোরের মধ্যে ৫টি ফ্লোর ছেড়ে দিলেও জোরপূর্বকভাবে এখনো পর্যন্ত নিচ তলার ফ্লোর ছাড়ছেন না গরীব এন্ড গরীব কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। বরং উল্টো হাফিজ উদ্দিন চৌধুরীর পরিবারকে বার বার হুমকি প্রদান করছে। তারই ধারাবাহিকতায়
গত ২০ মার্চ রবিবার সন্ধ্যার পর পারিবারিক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এর আলহাজ্ব হাফিজ উদ্দিন চৌধুরী কমপ্লেক্সে এর নিচ তলায় একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালিয়ে ভবনের গেট ভেঙ্গে ফেলে (যার সিসি টিভির ভিডিও ফুটেজ পত্রিকা অফিসে সংরক্ষিত রয়েছে)। এরপর সন্ত্রাসী বাহিনী মুশফিকুর হাফিজ চৌধুরী শোভনকে খোঁজে না পেয়ে তাকে এবং তার পরিবারের লোকজনদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এ ঘটনা হাফিজ উদ্দিন চৌধুরীসহ পুরো পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। প্রশ্ন থাকে যে, ০৫/০২/২০২২ এবং ১২/০২/২২ তারিখে বিজিএমইএ আরবিট্রেশন কমিটির দেয়া সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ভবন মালিকের ভাড়া পরিশোদ না করে গরীব এন্ড গরীব জোরপূর্বক ফ্লোর দখল করে রেখেছে। তাদের খুঁটির জোর কোথায়?।উল্লেখ্য, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর ১৫ নং ওয়ার্ড ভোগড়া, চৌধুরী বাড়ী,

হাফিজ উদ্দিন চৌধুরী কমপ্লেক্স ভবনটি বিগত ১০ বছর পূর্বে হাফিজ উদ্দিন চৌধুরী (ভবন মালিক), গরীব এন্ড গরীব কোং লিঃ ৬ টি ফ্লোর সর্বমোট ১,২০,০০০ বর্গফুট মাসিক ৫ (পাঁচ) টাকা হিসেবে ৬,০০,০০০,০০ (ছয় লক্ষ) টাকা চুক্তিতে ২০০৫ সালে ভাড়াটিয়া চুক্তি সাক্ষর করে গরীব এন্ড গরীব কোং লি: সোয়েটর কারখানা পরিচালনা করছে, অতপর চুক্তির মেয়াদকাল শেষ হওয়ার পরবর্তীতে প্রতি বর্গফুট ১০ (দশ) টাকা হিসেবে সর্বমোট ১,২০,০০০ বর্গফুট ১২,০০,০০০,০০ (বারো লক্ষ) টাকা মাসিক ভাড়া চুক্তি সাপেক্ষে ১ জানুয়ারী ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সাল পর্যন্ত পাঁচ বৎসরের জন্য চুক্তিনবায়ন করেন। উক্ত চুক্তির মেয়াদকাল শেষ হওয়ার পর গরীব এন্ড গরীব কোং লি: নতুন ভাবে পুনরায় ভাড়া চুক্তি নবায়ন না করে ভবন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান এবং ভবন মালিককে ভবনটি অন্যত্র ভাড়া প্রদানের জন্য বলেন এবং ৫ (পাচ) টি ফ্লোর খালি করে দিয়ে নিচ তলা অবৈধভাবে গরীব এন্ড গরীব কোং লি: দখলে রেখে দেন। পরবর্তীতে ভবন মালিক হাফিজ উদ্দিন চৌধুরী তার ভবনটি টেকনো ফাইবার লি: নামীয় প্রতিষ্ঠানের নিকট ১৮/০২/২০২১ ইং তারিখ হতে ৩১/১২/২০২৬ সাল পর্যন্ত ৫ (পাঁচ) বছরের জন্য ছয়টি ফ্লোর অর্থাৎ সম্পুর্ন ভবনটি ভাড়া প্রদান করে ভাড়াটিয়া চুক্তিতে আবদ্ধ হন। চুক্তি অনুযায়ী টেকনো ফাইবার লি: গত ১৮/০২/২০২১ তারিখ হতে ৫ (পাঁচ) টি ফ্লোর বুঝে নেয় এবং সংস্কার কাজ করে ফ্লোরগুলো ব্যবহার করতে থাকে। নিচ তলার একটি গরীব এন্ড গরীব কোং লি: কতৃক জোরপূর্বক ভাবে দখলে রাখার কারণে টেকনো ফাইবার লিঃ ব্যবহৃত ৫ (পাঁচ) টি ফ্লোরের ভাড়া ভবন মালিককে না দেওয়ার ফলে ভবন মালিক বিপুলভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।
এ ব্যাপারে ভবন মালিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে এই প্রতিবেদকে জানিয়েছেন বিজিএমইএ এর আইন অমান্য করে কেউ শিল্প প্রতিষ্ঠান চালাতে পারে না। আমরা প্রশাসন ও বিজিএমইএ এর প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করবো।
এ বিষয়ে গরীব এন্ড গরীব কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাদেরকে পাওয়া যায় নি।

Top