You are here
Home > সারা বাংলা > জেলার খবর > ভূমিদস্যু ও মামলাবাজ দুলাল হোসেন থেকে প্রতিকার চেয়ে মানববন্ধন

ভূমিদস্যু ও মামলাবাজ দুলাল হোসেন থেকে প্রতিকার চেয়ে মানববন্ধন


গাজীপুর প্রতিনিধিঃ

ভূমিদস্যু,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ ও মামলাবাজ”দুলাল হোসেন” কতৃক প্রতিকার চেয়ে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। শনিবার সকাল ১১ টার দিকে ৩৬ নং ওয়ার্ডের ওঝারপাড়ায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জানাগেছে লালমনিরহাটের স্থায়ী বাসিন্দা দুলাল হোসেন (৪৬) ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডে চাকুরীর সুবাদে ঢাকা ও গাজীপুরে আসা যাওয়া হয়। চাকুরির সুবিধার্দ্ধে ওঝারপারা এলাকায় ৫ শতাংশ জায়গা কিনে বাড়ি করে বসবাস করেন। কিছু দিন যেতে না যেতে ভয়ংকর হয়ে ওঠেন ঐ দুলাল হোসেন। এলাকার মানুষের কাছে সরকারি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সেজে একের পর এক সাধারণ মানুষ কে হয়রানি করে চলেছেন। ওঝারপারা বাসিন্দা মোঃ আবদুল আলী বলেন,দুলাল হোসেন ৫ শতাংশ জায়গা কিনে তার বাড়ির রাস্তা বের করার জন্য আমার জমির উপর দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা তৈরির কাজ করছেন। আমি বাধা দিলে আমার নামে ও ছেলের নামে থানায় মামলা করেন। বিষয়টি কাউন্সিলর পুস্প আক্তার মায়া মিমাংসা করার চেষ্টা করলে সে তাকেও অপমান করেছিল। আক্তার হোসেন নামে ওঝারপারা আরেক বাসিন্দা বলেন,দুলাল আমার নামেও নামে মিথ্যা মামলা করেছিল,আমি এই মামলাবাজ দুলাল হোসেন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য থানায় গেলে ওসি সাহেব বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল মালেকও রেহাই পায়নি ঐ দুলাল হোসেনের অত্যাচার থেকে। ৩৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ৩৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। ৫ টি মামলা করেছেন থানা ও কোর্টে ঐ দুলাল হোসেন।আজ সকালে প্রায় ৩ শতাধিক নারী পুরুষ, মুক্তিযোদ্ধা,ইমাম, খতিব ও বৃদ্ধ সহ সকল বয়সী মানুষ দুলাল হোসেনের অত্যাচার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মাননীয় মেয়র, পুলিশ কমিশনার থানার ওসি কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দদের কাছে বিচারের দাবি জানিয়েছেন। এই ব্যাপারে গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইসমাইল হোসেন জানান,দুলাল হোসেন খারাপ লোক,তার ব্যাপারে বহু অভিযোগ এসেছে,তাকে আমি সাবধান করেছিলাম। এরপর যদি তার নামে কোন অভিযোগ আসে সাথে সাথে ব্যবস্থা নিব। মানববন্ধনে আরোও উপস্থিত ছিলেন ৩৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার হুমায়ুন কবির রিপন, সদস্য মোঃ সামাদ,ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা। মামলায় যাদের হয়রানি করা হয়েছে তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল আলী, আক্তার হোসেন,খোকন,চান মিয়া,খোরশেদ আলম,নুরু মিয়া,আব্দুল বারেক,মুক্তিযোদ্ধা আঃ মালেক,আহসান উল্লাহ,আঃ জব্বার,মোতালেব হোসেন,আঃ মান্নান,মুজিবুর রহমান,ঈমান আলী,হাজী মাহবুবুর রহমান, বুলবুল আহমেদ, ফজলুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মোল্লা, মকবুল হোসেন প্রমূখ।

Leave a Reply

Top