You are here
Home > জীবন-যাপন > বিনা খরচায় ভিটামিন ডি

বিনা খরচায় ভিটামিন ডি

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বহু মানুষ ভিটামিন ‘ডি’র অভাবে ভুগছে। একাধিক গবেষণা অনুযায়ী, পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মানুষের এ সমস্যা আছে। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ভিটামিন ‘ডি’র উৎস। সূর্য যখন প্রখর থাকে, তখনই অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে পৌঁছায়। কাচ, ঘন মেঘ, কাপড়চোপড়, ধোঁয়া ও সানস্ক্রিন এই রশ্মিকে বাধা দেয়। তাই দু-একবার বাইরে বেরোলেই আপনার শরীর ভিটামিন ‘ডি’ পাবে না। এই ভিটামিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পেতে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা দরকার—
সময়: আলোয় বেরিয়ে যখন দেখবেন আপনার ছায়া আপনার তুলনায় ছোট, তখনই সেই আলোতে আপনার ত্বক সবচেয়ে বেশি ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করতে পারবে।
মেলানিন: যাঁরা কালো, তাঁদের ত্বকে মেলানিন নামের রঞ্জক উপাদান বেশি। আর যাঁরা ফরসা, তাঁদের ত্বকে এই উপাদান কম থাকে। মেলানিন অতিবেগুনি রশ্মিকে বাধা দেয়। ফরসা লোকজনের প্রতিদিন ২০ মিনিট রোদে থাকলেই চলে।
কাচ: অতিবেগুনি রশ্মি কাচ ভেদ করতে পারে না। তাই গাড়ি বা ঘরের ভেতর জানালা বন্ধ অবস্থায় রোদ এলেও লাভ নেই, পর্যাপ্ত ভিটামিন ‘ডি’ মিলবে না।
পোশাক ও সানস্ক্রিন: এগুলোও ত্বকে সরাসরি ভিটামিন ‘ডি’ লাগতে বাধা দেয়। তাই আপাদমস্তক ঢেকে বেরোলে চলবে না। অন্তত হাত-পা বা মুখের কিছু অংশ খোলা রাখুন। মাঝেমধ্যে সানস্ক্রিন ছাড়াই রোদে বেরোতে হবে।
বার্ধক্য: বয়স বাড়তে থাকলে ত্বকের ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করার ক্ষমতা কমতে থাকে। আর বয়স্কদেরই কিন্তু হাড় ক্ষয়ের সমস্যা বেশি। তাই বয়স হয়েছে বলেই সারা দিন বাড়ি বসে থাকা ঠিক নয়। নিয়মিত বেরোন এবং গায়ে রোদ লাগান।
বায়ুদূষণ ও আবহাওয়া: দূষিত বায়ু, ধোঁয়া ইত্যাদি অতিবেগুনি রশ্মিকে শুষে নেয় বা প্রতিফলিত করে। তাই দূষিত শহরে থাকলে মাঝেমধ্যে একটু দূরের গ্রামে বা আউটিংয়ে যাওয়া উচিত।

Leave a Reply

Top