You are here
Home > প্রচ্ছদ > বিএনপি চায় পুনরুদ্ধার আর আ’লীগ চায় ধারাবাহিকতা

বিএনপি চায় পুনরুদ্ধার আর আ’লীগ চায় ধারাবাহিকতা

স্টাফ রিপোর্টারঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পাবনা-৩ এলাকার বিএনপি প্রার্থীরা চায় দুর্গ পুনরুদ্ধার। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ চায় বিজয়ের ধারাবাহিকতা। ইতোমধ্যেই নির্বাচনী আমেজ বইতে শুরু করেছে এ আসনে। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রায় এক ডজন নেতা মনোনয়ন পেতে ভোটের মাঠে কাজ করছেন। নতুনরা তৃণমূল নেতাদের সাথে সখ্য গড়ার চেষ্টা করছেন। পুরনো প্রার্থীরা সম্পর্ক ঝালাইয়ে ব্যস্ত। অনেকেই নিজেদের নামে পোস্টার ও বিলবোর্ড দিয়ে ঈদসহ বিভিন্ন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ মাঠে-ময়দানে ঘুরে দলীয় নেতাকর্মীদের সমর্থন চাচ্ছেন।

পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর-এ তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত পাবনা-৩ সংসদীয় আসন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য ও চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাসাদুল ইসলাম হীরা, সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) ফখরুল আযম, ফরিদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বকুল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ও জেলা

বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট শিল্পপতি রাজিউল হাসান বাবু।এর মধ্যে প্রবীণ রাজনীতিবিদ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম দুইবার এমপি ও দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

পাবনা-৩ আসনটিতে বর্তমান সরকারদলীয় সংসদ সদস্য রয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ মকবুল হোসেন। তিনি পরপর দুইবার এমপি নির্বাচিত হন। তিনি এবারো দলীয় মনোনয়ন চাইবেন। আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেতে আরো ছয় নেতা মাঠে নেমেছেন।

এরা হলেন, চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন সাখো, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপকমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আলীম, জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ভাঙ্গুড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বাকি বিল্লাহ, পাবনা সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম পাকন, ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান, ফরিদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা আলী আশরাফুল কবীর, পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল হামিদ মাস্টার এবং পাবনা বার সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহআলম।

এ আসনে জাতীয় পার্টি ও জামায়াত নেতাদের নির্বাচনী তৎপরতা তেমন চোখে পড়ছে না। তবে জোটগতভাবে নির্বাচন হলে জামায়াতের ভোট বিএনপির প্রার্থী পাবেন বলে ধারণা করছেন সবাই।

এসব প্রার্থীর অনেকে ঢাকায় অবস্থান করেন। কেউ কেউ এলাকায় থাকেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ এবং ব্যানার ফেস্টুন লাগানোর কাজ করছেন। সরকারদলীয় সম্ভাব্য প্রার্থীরা সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরছেন গ্রামগঞ্জে। পাশাপাশি বিএনপি প্রার্থীরা সরকারের সমালোচনা করে সাধারণ ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন। তবে উভয় দলেই রয়েছে গ্রুপিং।

Leave a Reply

Top