You are here
Home > দূরনীতি ও অপরাধ > বাসা থেকে বের হওয়ার আগে এক নারীর ফোন পান ফরহাদ মজহার!

বাসা থেকে বের হওয়ার আগে এক নারীর ফোন পান ফরহাদ মজহার!

বিশেষ প্রতিবেদকঃ কবি-প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার কার ফোন পেয়ে বাসা থেকে ওই দিন বের হয়েছিলেন? আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অবশেষে নিশ্চিত হয়েছে একজন নারীর ফোন পেয়েই তিনি বের হন। ওই নারী ফরহাদ মজহারের পূর্বপরিচিত।

বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাকে অপহরণ করে ওই নারীর ঘনিষ্ট একজন। ওই নারী এবং তার ঘনিষ্টজনকে ইতিমধ্যে সনাক্ত করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের গ্রেফতারের জন্য ঢাকার বাইরে ইতিমধ্যে একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে।

জবানবন্দিতে ফরহাদ মজহার আদালতকে জানান, সোমবার ভোরে তিনি ওষুধ কেনার জন্য বাসা থেকে বের হন। এর পরপরই একদল দুর্বৃত্ত তাকে ধরে চোখ বেঁধে একটি গাড়িতে করে তাকে অপহরণ করেন। অপহরণকারীরা তাকে দিয়ে বাসায় ফোন করিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে। তবে বিকেলে অপহরণকারী তাকে একটা স্থানে নামিয়ে দেন। পরে তিনি এক রিকশাওয়ালার কাছ থেকে জানতে পারেন ওই এলাকাটি খুলনা।

এরপর খুলনার একটি হোটেলে তিনি ৫০০ টাকা ভাঙ্গিয়ে রাতে খাবার খান। পরে তিনি বাসের টিকিট কেটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বাসে ওঠার পর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর যশোর থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, বাসা থেকে বের হবার সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যাগে মোবাইল ফোনের চার্জার, একটি পোশাক ছিল। বাসা থেকে বের হবার সময় তার কাছে সাড়ে ১২ হাজার টাকা ছিল। এ থেকে অনুমান করা যায় তার বাসা থেকে বের হওয়ার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে। সেটাই এখন পরিস্কার হতে চলেছে।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাতে যশোরের অভয়নগরের একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ফরহাদ মজহারকে উদ্ধারের পর মঙ্গলবার সকালে তাকে নেয়া হয় আদাবর থানায়। সেখান থেকে তেজগাঁওয়ের ডিসি কার্যালয়ে নেয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাকে নেয়া হয় মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে। সেখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার জবানবন্দি নেয়ার জন্য সিএমএম আদালতে পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাকে নিজের জিম্মায় দেয়া হয়।

কবি-প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার কার ফোন পেয়ে বাসা থেকে ওই দিন বের হয়েছিলেন? আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অবশেষে নিশ্চিত হয়েছে একজন নারীর ফোন পেয়েই তিনি বের হন। ওই নারী ফরহাদ মজহারের পূর্বপরিচিত। বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাকে অপহরণ করে ওই নারীর ঘনিষ্ট একজন। ওই নারী এবং তার ঘনিষ্টজনকে ইতিমধ্যে সনাক্ত করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের গ্রেফতারের জন্য ঢাকার বাইরে ইতিমধ্যে একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে। জবানবন্দিতে ফরহাদ মজহার আদালতকে জানান, সোমবার ভোরে তিনি ওষুধ কেনার জন্য বাসা থেকে বের হন। এর পরপরই একদল দুর্বৃত্ত তাকে ধরে চোখ বেঁধে একটি গাড়িতে করে তাকে অপহরণ করেন। অপহরণকারীরা তাকে দিয়ে বাসায় ফোন করিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে। তবে বিকেলে অপহরণকারী তাকে একটা স্থানে নামিয়ে দেন। পরে তিনি এক রিকশাওয়ালার কাছ থেকে জানতে পারেন ওই এলাকাটি খুলনা। এরপর খুলনার একটি হোটেলে তিনি ৫০০ টাকা ভাঙ্গিয়ে রাতে খাবার খান। পরে তিনি বাসের টিকিট কেটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বাসে ওঠার পর তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর যশোর থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, বাসা থেকে বের হবার সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যাগে মোবাইল ফোনের চার্জার, একটি পোশাক ছিল। বাসা থেকে বের হবার সময় তার কাছে সাড়ে ১২ হাজার টাকা ছিল। এ থেকে অনুমান করা যায় তার বাসা থেকে বের হওয়ার পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে। সেটাই এখন পরিস্কার হতে চলেছে। প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাতে যশোরের অভয়নগরের একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ফরহাদ মজহারকে উদ্ধারের পর মঙ্গলবার সকালে তাকে নেয়া হয় আদাবর থানায়। সেখান থেকে তেজগাঁওয়ের ডিসি কার্যালয়ে নেয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাকে নেয়া হয় মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে। সেখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার জবানবন্দি নেয়ার জন্য সিএমএম আদালতে পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাকে নিজের জিম্মায় দেয়া হয়।

Leave a Reply

Top