You are here
Home > প্রচ্ছদ > বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে বড় দুঃসময় অতিক্রম করছেঃ নজরুল ইসলাম খান

বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে বড় দুঃসময় অতিক্রম করছেঃ নজরুল ইসলাম খান

স্টাফ রিপোর্টারঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে বড় দুঃসময় অতিক্রম করছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ কাজগুলো করেছেন। এরা হচ্ছে এমন একটা যন্ত্র যার এক পাশ দিয়ে রাজাকার প্রবেশ করে অন্যপাশ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হয়।

আজ সোমবার বিকেলে এক সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগ উপযুক্ত সময়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও ভারতে পালানোর ব্যাপারে সবাই ছিল ঐক্যবদ্ধ। এখন তারাই আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ফেরি করে বেড়াচ্ছে। গণতন্ত্রকে জবাই করে বার বার গণতন্ত্রের চেতনার কথা বলে যাচ্ছে।

রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এই আলোচনা সভা হয়। জাতীয়তাবাদী সাইবার দল নামের একটি সংগঠনের পঞ্চম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ভিশন- ২০৩০, বিএনপির সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি এবং সাইবার দলের করণীয় শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। সংগঠনের সভাপতি পারভেজ আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, যুগ্মমহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা রাশেদা বেগম হীরা, কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ।

বিএনপির সাথে জামায়াতে ইসলামীর সখ্যতা প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জীবদ্দশায় জামায়াতে ইসলামী রাজনীতি করার সুযোগ পায়নি। জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয় ১৯৮৬ সালে। সে নির্বাচনে জামায়াত ছাড়াও স্বৈরশাসক এরশাদ, আওয়ামী লীগ অংশ নেয়। কিন্তু বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশ নেয়নি।

জিয়াউর রহমানকে যারা পাকিস্তানের চর বলে তাদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান জোর করে বীর উত্তম খেতাব পায়নি। স্বাধীনতার পরবর্তী সরকার শেখ মুজিবুর রহমান তাকে এই বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করেছেন। তাহলে শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকা কী?

সাইবার দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশ এখন বড় দুঃসময় অতিক্রম করছে। মানুষের মৌলিক অধিকার বলতে কিছুই নেই। দেশে কোনো নির্বাচিত সরকার নেই। যারা আছে তারা স্বঘোষিত সরকার। ফলে অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি রাজনৈতিকভাবে লড়াই আন্দোলন করে যাচ্ছে। প্রত্যাশা করি সাইবার দল আগামী দিনে প্রয়োজনে অনলাইনের বাইরে এসে রাজপথেও বিএনপির সহযোগী হয়ে আন্দোলনে শরীক হবে।

Leave a Reply

Top