You are here
Home > খেলাধুলা > বাংলাদেশের সাফল্যের রহস্য বললেন জয়াবর্ধনে

বাংলাদেশের সাফল্যের রহস্য বললেন জয়াবর্ধনে

জয়াবর্ধনের পরিচিতি পর্বে ছিলেন খুলনা টাইটানসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী এনাম আহমেদ, উপদেষ্টা হাবিবুল বাশার ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। 

ক্রিয়া ডেস্কঃ বাংলাদেশের ক্রিকেটে যোগ হলেন আরেক শ্রীলঙ্কান। অবশ্য জাতীয় দলের দায়িত্বে নয়, আগামী দুই আসরের জন্য বিপিএলের দল খুলনা টাইটানসের কোচ হয়েছেন মাহেলা জয়াবর্ধনে। আজ রাজধানীর একটি হোটেলে তাঁর আনুষ্ঠানিক পরিচিতি পর্বটাও সেরে ফেলেছে খুলনার এই ফ্র্যাঞ্চাইজি। ব্যাটসম্যান জয়াবর্ধনের পরিচয় করে দেওয়ার কিছু নেই। তবে ক্রিকেট ছাড়ার পর শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তির যে নতুন পরিচয় যোগ হয়েছে, সেটি নিশ্চয়ই ঘটা করে জানানোর ব্যাপার আছে। যদিও কোচ হওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁর এটাই প্রথম নয়। আইপিএলের মতো আসরে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের দায়িত্ব পালন করেছেন। কোচিংয়ে প্রথম দায়িত্ব নিয়েই দারুণ সফল জয়াবর্ধনে, মুম্বাইকে জিতিয়েছেন শিরোপা। এবার খুলনার হয়েও দুর্দান্ত কিছু করে দেখানো লক্ষ্য তাঁর।

মাহেলা জয়াবর্ধনে

আয়োজনটা মূলত খুলনা টাইটানসের হলেও স্বাভাবিকভাবে চলে এল বাংলাদেশ দলের প্রসঙ্গও। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ যেন বদলে যাওয়া এক দল। দেশের মাঠে ধারাবাহিক সাফল্য, বিদেশের মাটিতেও ভালো করা মাশরাফিরা প্রমাণ করে চলেছেন, বাংলাদেশ এগোচ্ছে সঠিক পথেই। বাংলাদেশের এই সাফল্যের ব্যাখ্যাটাই দিলেন জয়াবর্ধনে, ‘অবশ্যই তারা অনেক উন্নতি করেছে। ১৯৯৯ বিশ্বকাপের পর থেকে তারা অনেক পথ এগিয়েছে। গত ছয় বছর তারা ধারাবাহিক ভালো খেলছে। এক ঝাঁক প্রতিভাবান খেলোয়াড় দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে খেলছে বলেই সাফল্য আসছে। তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের ধারাবাহিক মনে হয়েছে।’
বাংলাদেশের সাফল্যের পেছনে নিজ দেশের কোচিং স্টাফদের অবদান অনেক বলেই মনে করেন জয়াবর্ধনে, ‘আমি তো মনে করি, বাংলাদেশের সাফল্যের সবচেয়ে বড় রহস্য শ্রীলঙ্কান কোচিং স্টাফদের পাওয়া। এটা অনেক পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। আমরা তাদের কিছু কৃতিত্ব দিতে পারি।’
কোচিংয়ে পা রাখলেও এটি নিয়ে কোনো দীর্ঘ পরিকল্পনা নেই জয়াবর্ধনের। শ্রীলঙ্কার কোচ হচ্ছেন বলে যে খবর শোনা গেছে কদিন আগে, সেটি স্রেফ গুঞ্জন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ১৪৯ টেস্ট, ৪৪৮ ওয়ানডে ও ৫৫ টি-টোয়েন্টি খেলা এই ব্যাটসম্যান। শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তির কথা, ‘কোচিংকে পেশা হিসেবে দেখি না। এটা ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ। যে খেলাটা ভালোবাসি, সেটিকে কিছু দিতে চাই। সেটি ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা কিংবা ভারত—যেকোনো জায়গাতেই হতে পারে। আমার ভূমিকাটা হচ্ছে তরুণ প্রজন্মের জন্য কিছু করা, ক্রিকেটে বড় কিছু অর্জনে তাদের সহায়তা করা।’

Leave a Reply

Top