বঙ্গবন্ধুর রক্তের কেউ যেন রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে না পারে সে জন্যই ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড – Live News BD, The Most Read Bangla Newspaper, Brings You Latest Bangla News Online. Get Breaking News From The Most Reliable Bangladesh Newspaper; livenewsbd.co
You are here
Home > প্রচ্ছদ > বঙ্গবন্ধুর রক্তের কেউ যেন রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে না পারে সে জন্যই ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড

বঙ্গবন্ধুর রক্তের কেউ যেন রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে না পারে সে জন্যই ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড

স্টাফ রিপোর্টারঃ বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর রক্তের কেউ যেন রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে না পারে সে জন্যই ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু সারাজীবন বাঙালি জাতির জন্য সংগ্রাম করেছেন। অধিকার আদায়ের জন্য তিনি বাঙালি জাতিকে এক কাতারে দাঁড় করিয়েছিলেন।

সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। সংগ্রাম শুরুর আগেই তিনি লক্ষ্য স্থির করেছিলেন। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান ভাগের পরেই তিনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন, পাকিস্তান বাঙালি জাতির জন্য সৃষ্টি হয়নি, পাকিস্তানি কাঠামোর মধ্যে বাঙালি জাতির অধিকার আদায় করা যাবে না।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৪৮ সাল থেকে দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ৪ হাজার ৬৮২ দিন জেল খেটেছেন। বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। ৬ দফা ঘোষণা করে তিনি এর পক্ষে জনমত তৈরির জন্য দেশের সব অঞ্চল সফর করেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড প্রদানের উদ্দেশ্যেই আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমাদের মুক্তির জন্য বাঙালি জাতি আন্দোলনে নেমে আসবে, আমরা মুক্ত হব। নির্বাচন দেবে আমরা জয়লাভ করব, কিন্তু তারা নির্বাচিত প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেবে না। মুক্তিযুদ্ধ হবে, বাংলাদেশ স্বাধীন হবে।’ বঙ্গবন্ধুর সেই ভবিষ্যৎ বাণী সঠিক ছিল। সেদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না জিতলে বাংলাদেশে স্বাধীনতা আসত না।

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু, বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আহমেদ, টেরিফ কমিশনের চেয়ারম্যন (সিনিয়র সচিব) মুসফিকা ইকফাত, প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল খান চৌধুরী, রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্রাচার্য্য, বাংলাদেশ টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ শাফিনুল ইসলাম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর, আমদানি ও রফতানি অধিদফতরের প্রধান নিয়ন্ত্রক আফরোজা খানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Top