You are here
Home > জাতীয় > নিপীড়নের বিরুদ্ধে শক্তিশালী কণ্ঠস্বর ছিলেন নজরুল : রাষ্ট্রপতি

নিপীড়নের বিরুদ্ধে শক্তিশালী কণ্ঠস্বর ছিলেন নজরুল : রাষ্ট্রপতি

স্টাফ রিপোর্টার :
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মতপার্থক্য ভুলে জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের চেতনা ও আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি শোষণমুক্ত এবং অসাম্প্রদায়িক সোনারবাংলা গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ জাতীয় কবি নজরুলের ১১৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভাষণে রাষ্ট্রপতি বলেন, নজরুল শুধু একজন মানবতাবাদী কবিই ছিলেন না, তিনি সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশবাদ, পুঁজিবাদ, ফ্যাসিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা, আঞ্চলিকতা এবং শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে শক্তিশালী কণ্ঠস্বর ছিলেন।

জাতীয় কবি নজরুলের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, নজরুলই একমাত্র সাহিত্যিক ছিলেন, যিনি উপলব্ধি করেছেন সাম্প্রদায়িকতাই উপমহাদেশের বড় সমস্যা। তাই তিনি আজীবন এর বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছেন। নজরুল ছিলেন একজন বড়মাপের মানবতাবাদী কবি। তিনি তার সঙ্গীত ও কবিতার মাধ্যমে মানুষের সৃষ্ট মতপার্থক্যের কৃত্রিম দেয়াল ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করেছেন।

আবদুল হামিদ বলেন, সাম্য ও মানবতার কবি হিসেবে সঙ্গীত, কবিতা, গল্প এবং উপন্যাসসহ নজরুলের সাহিত্য কর্ম সমাজে ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

তিনি বলেন, এ দেশের মাটি, মানুষ, প্রকৃতি এবং ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে নজরুল খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে যথাযথ মর্যাদায় বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। অনুষ্ঠানে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। রাষ্ট্রপতিকে নজরুলের পুরো সাহিত্য কর্মের একটি ভলিউম উপহার দেয়া হয়।

এতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইব্রাহীম হোসেন খান এবং নজরুল ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর এমিরিটাস রফিকুল ইসলাম, প্রফেসর সৌমিত্র শেখর এবং নজরুলের নাতনী খিল খিল কাজীও বক্তৃতা করেন।

Leave a Reply

Top