You are here
Home > প্রচ্ছদ > নাগরিকত্ব পেয়েছেন শিশুপল্লি প্লাসের প্রতিষ্ঠাতা পেট্রিসিয়া কার

নাগরিকত্ব পেয়েছেন শিশুপল্লি প্লাসের প্রতিষ্ঠাতা পেট্রিসিয়া কার

বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন শিশুপল্লি প্লাসের প্রতিষ্ঠাতা ব্রিটিশ নাগরিক পেট্রিসিয়া অ্যান ভিভিয়ান কার। এ উপলক্ষে সোমবার আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।

স্টাফ রিপোর্টারঃ অনাথ মা-শিশু পুনর্বাসনে কাজ করা প্রতিষ্ঠান শিশুপল্লি প্লাসের প্রতিষ্ঠাতা ব্রিটিশ নাগরিক পেট্রিসিয়া অ্যান ভিভিয়ান কার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সম্প্রতি গাজীপুরের শ্রীপুরের তেলিহাটি ইউনিয়নের ভোটার করা হয়েছে তাঁকে। এ উপলক্ষে আজ সোমবার ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে পেট্রিসিয়াকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।

১৯৮৯ সাল থেকে ব্রিটিশ এই নাগরিক দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আশ্রয়হীন অনাথ মা ও শিশুকে পুনর্বাসনের কাজ করছেন। শ্রীপুরের তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা গ্রামে শিশুপল্লি প্লাস নামের একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তিনি। প্রথম দিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া অনাথ শিশুদের দায়িত্ব নিয়েছিল তাঁর প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে বিভিন্ন এলাকার অনাথ মা ও শিশুকে পুনর্বাসনের কাজ করছে শিশুপল্লি প্লাস।

বাংলাদেশের অনেক নাম-পরিচয়হীন শিশু, অসহায় ও স্বামী পরিত্যক্ত নারীদের পুনর্বাসনে ভূমিকা রাখায় পেট্রিসিয়াকে নাগরিকত্ব দেয়ার উদ্যোগ নেয় সরকার। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে তাঁকে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সোমবারের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পেট্রিসিয়া কার। শুরুতেই বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের প্রথম চরণ গেয়ে ওঠেন তিনি। পেট্রিসিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশ আমার কাছে নিজের দেশের মতোই। আমি বহু আগে থেকেই বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি। এ দেশের মা ও শিশুর সরলতা আমাকে টানে। আমি আপনাদের এলাকায় ভোটার হতে পেরে গর্বিত। দীর্ঘদিন আপনাদের এলাকার অসহায় মানুষদের সঙ্গে আছি। শিশুপল্লি প্লাসের সফলতার জন্য আপনাদের সহায়তা চাই।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রীপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আকতার বলেন, অসহায় মা-শিশুর পাশে দাঁড়ানোর মতো প্রতিষ্ঠান এ দেশে খুব কম। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে শ্রীপুরে কাজ করে যাওয়া পেট্রিসিয়াকে নাগরিকত্ব দিয়ে সম্মানিত করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

অনুষ্ঠানে পেট্রিসিয়া কারকে সম্মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট ও তাঁতের শাড়ি তুলে দেন তেলিহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল বাতেন সরকার। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

Leave a Reply

Top