নরসিংদী শিবপুরে নারী খেকোর কান্ড !!!! – Live News BD, The Most Read Bangla Newspaper, Brings You Latest Bangla News Online. Get Breaking News From The Most Reliable Bangladesh Newspaper; livenewsbd.co
You are here
Home > দূরনীতি ও অপরাধ > নরসিংদী শিবপুরে নারী খেকোর কান্ড !!!!

নরসিংদী শিবপুরে নারী খেকোর কান্ড !!!!

মোস্তাক আহমেদ, নরসিংদীঃ

শিবপুরে এক নারী খেকো তার যৌন লালসা চরিত্রার্থ করতে না পেরে খাবারে বিষ মিশিয়ে একটি পরিবারকে হত্যার চেষ্টা করে। এ বর্বরোচিত ঘটনায় আদালতে মামলা দায়েরের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও আসামী এখনও মুক্ত বিহঙ্গের ন্যায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।
জানা যায়, শিবপুর উপজেলা সাধারচর ইউনিয়নের সৈয়দের খোলা গ্রামের মৃত সাদত আলীর পুত্র মোঃ বাছেদ মিয়া(৪০) একজন লম্পট ও নারী লোভী। একই গ্রামের মৃত মাসুদ মিয়ার স্ত্রী আছমা বেগমের উপর তার কু নজর পড়ে কিন্তু বাছেদ তার মনের বাসনা চরিত্রার্থ করতে বার বার ব্যর্থ হয়। এতে বাছেদ ক্ষিপ্ত হয়ে আছমার বড় মেয়ের নামে এলাকায় নানা কুৎসা রটায়। এতে ক্ষোভে দুঃখে ঐ মেয়ে আত্মহত্যা করে। কিছুদিন পর কন্যা শোকে পিতা মারা যায়। আছমা যখন কন্যা ও স্বামী শোকে মুহ্যমান, তখন সুযোগ বুঝে এক সন্ধ্যায় আছমার বাড়ীতে গিয়ে তার উপর যাপিয়ে পড়ে বাছেদ। যৌন লালসা মেটাতে জবরদস্তি শুরু করে। আছমার পরিধেয় বস্ত্র ছিড়ে ফেলে। এক পর্যায়ে আছমার ডাক চিৎকারে আশে-পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে এ ঘটনা দেখতে পায়। তখন বাছেদ দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে সালিশ দরবার হয়। বাছেদ দোষী সাবস্ত হয়ে এবং সে সকলের কাছে ক্ষমা চায়। এ ঘটনায় সে আর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। কিছুদিন পর প্রতিহিংসায় চরিত্রার্থ করতে সে গত ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ সন্ধ্যায় সুযোগ বুঝে আবারও আছমার ঘরে ঢুকে তার খাবারের পাতিলের বিষ মিশিয়ে চলে আসে। আছমার মেয়ে জুলেখা বাছেদকে তাদের ঘর থেকে বের হতে দেখতে পায় এবং দৌড়ে পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর জুলেখা রাতে খাবার খাইতে গেলে খাবারের এক পর্যায়ে চিৎকার শুরু করে। তখন তার মা সহ পাশের ঘরের অন্য মানুষ এগিয়ে আসলে সে বলে তার সমস্ত শরীরে জালা যন্ত্রণা হচ্ছে। উপস্থিতরা তখন খাবারের ভিতরে বিষের গন্ধ পায়। ঘটনা বুঝতে পেরে আছমা দ্রুত নরসিংদী ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত সুস্থ্য করেন এবং খাবারের সাথে বিষের কথা জানান। আছমা বার বার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে বলার পরেও ব্যর্থ হয়ে ন্যায় বিচারের জন্য আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়া সত্ত্বেও বাছেদ এখন মুক্ত বিহঙ্গের ন্যায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, আছমা আরও জানান আমার মায়ের উপরও বাছেদের কু-নজর ছিল, আছমা ও তার পরিবার বর্বর নারী লোভী বাছেদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চায়।

Leave a Reply

Top