You are here
Home > অর্থনীতি > নতুন ভ্যাট আইন পাস হলেও বাস্তবায়ন হতে দেব না : মহিউদ্দিন !!!!

নতুন ভ্যাট আইন পাস হলেও বাস্তবায়ন হতে দেব না : মহিউদ্দিন !!!!

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আগামী জুলাইতে নতুন ভ্যাট আইন (মূল্য সংযোজন কর) পাস হলেও ব্যবসায়ীদের দাবি না মানলে তা বাস্তবায়ন হতে দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি পদপ্রার্থী মো. শফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন)।

সোমবার রাতে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এফবিসিসিআই নির্বাচনী সভায় প্যানেল সদস্যদের পরিচয় পর্বের বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। আসন্ন এফবিসিসিআই নির্বাচন ২০১৭-১৯ উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করে মো. শফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন) নেতৃত্বাধীন ‘সম্মিলিত গণতান্ত্রিক পরিষদ’।

শফিউল ইসলাম বলেন, ‘ভ্যাটই ব্যবসায়ীদের বর্তমানের বড় সমস্যা। এর নতুন আইন ব্যবসায়ীদের সামনে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারা ব্যবসায়ীদের উপর এ আইন চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন, তা ভালো করেন নাই। এর সঙ্গে আইএমএফ থাকুক আর যেই থাকুক, এ আইন পাস হলেও বাস্তবায়ন হতে পারবে না।

এ প্রসঙ্গে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারিখাত উন্নয়ন-বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান উপস্থিত এফবিসিসিআইয়ের সাধারণ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি আশ্বাস দিতে চাই, প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে, যদি আইনটা হয়ও, আমাদের যে সমস্যা রয়েছে, তা সামাধান করা হবে।

শফিউল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, যদি ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার সুযোগ দেয়া হয়, তাহলে সোনার বাংলা উপহার দেবে এ দেশের ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা কোনো প্রতিষ্ঠানের মুখোমুখি দাঁড়াতে চায় না, একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে চায়।
রাজনীতিবিদ, আমলা, সরকার এবং ব্যবসায়ী এরা কেউ আলাদা নয়। সবাই একসঙ্গে এগিয়ে যেতে চায়। তাই আমাদের (ব্যবসায়ীদের) রাস্তায় কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবেন না।

অনুষ্ঠানে মুক্ত আলোচানায় অংশ নেন সংগঠনের সাবেক চার সহ-সভাপতিসহ ১৪ জন ব্যবসায়ী নেতা। প্রায় সবাই নির্বাচনী বক্তব্যের সঙ্গে ভ্যাট সমস্যা সমাধানের জন্য সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের আহ্বান জানান।

ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য কাজ করার মতো নেতার দরকার। যিনি কাজ করবেন দেশর অর্থনীতি ও ব্যবসায়ীদের জন্য। এফবিসিসিআইকে দেশের অর্থনীতি বলে অভিহিত করেন অনেকে। তাই ব্যবসায়ীদের সুন্দর পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ করে দেয়ার আহ্বান জানান নেতারা।

সম্মিলিত গণতান্ত্রিক পরিষদের পরিচালক প্রার্থীরা হলেন খন্দকার মঈনুর রহামান জুয়েল, মো. আনোয়ার হোসেন, নিজামউদ্দিন রাজেশ, এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, আমজাদ হোসেন, আব্দুল হক, শাফকাত হায়দার, মো. শফকুল ইসলাম ভরসা, হাফেজ হাজী হারুনুর রশিদ, মো. আবুল আয়েস খান, আবু মোতালেব, শমী কায়সার, মো. মুস্তাকিম আশরাফ, মো. হাবিব উল্ল্যাহ ডন, মো. আবু নাসের, মীর নিজাম উদ্দিন আহম্মেদ, খন্দকার রুহল আমিন এবং রাশেদুল হোসেন চৌধুরী (রনি)।

Leave a Reply

Top