You are here
Home > সারা বাংলা > জেলার খবর > নওগাঁয় ৪০ হাজার ৫শ পরিবারের মধ্যে জরুরী খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

নওগাঁয় ৪০ হাজার ৫শ পরিবারের মধ্যে জরুরী খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ :

নওগাঁয় করোনাভাইরাসের কারনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে সৃষ্ট বিভিন্ন পেশার কর্মহীন মানুষদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী খাদ্য সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় কর্মহীন শ্রমজীবী ও হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও নগদ টাকা বিতরণ করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক মোঃ হারুন-অর-রশীদ জানিয়েছেন অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা দেওয়ার জন্য এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ৬৯১ মেট্রিক টন চাল ও ২৬ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে শনিবার পর্যন্ত জেলার ১১টি উপজেলায় কর্মহীন ৪০ হাজার ৫০০ পরিবারের মধ্যে ৪০৫ মেট্রিক টন চাল ও ১৩ লাখ ৯৫ হাজার নগদ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় জেলা প্রশাসক, জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা এসব কর্মহীন পরিবারের ঘরে ঘরে এসব এই খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন। জেলার এমন উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরনের জন্য আরও ২৮৬ মেট্রিক টন চাল ও ১২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মজুদ রয়েছে।

জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশীদ বলেছেন সকলে মিলে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। আর এই মোকাবেলা করতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার কর্মসূচীতে যাঁরা ভুক্তভোগি তাঁদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী এই খাদ্যশষ্য ও নগদ আর্খিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। কর্মহীন ও অসহায় দরিদ্র মানুষদের সুষ্ঠু তালিকা প্রণয়নের মাধ্যমে তাঁদের মাঝে ওই মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার ৫শ পরিবারকে জরুরি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির আলোকে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ আকন্দ মোঃ আখতারুজ্জামান আলাল জানিয়েছেন গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে অঅরও ৩ জনকে হোম কোয়ারেনটাইনে পাঠানো হয়েছে। এই ২৪ ঘন্টায় হোম কোয়ারেনটাইন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৯ জন। বর্তমানে হোম কোয়ারেনটাইনে রয়েছেন ১৪৯ জন।
শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট হোম কোয়রেনটাইনে পাঠানো হয়েছিল ১ হাজার ৮শ ৮৩ জনকে। এদের মধ্যে ১৪ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মোট ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৭শ ৩৪ জন। ছাড়পত্র কারও মধ্যে করোনা’র কোন লক্ষন পাওয়া যায় নি। তাঁরা সকলেই সুস্থ্য রয়েছেন।

Leave a Reply

Top