ধর্ষণে দোষী ‘বাবা’, সচ্চা-ভক্ত তাণ্ডবের বলি ৩০ – Live News BD, The Most Read Bangla Newspaper, Brings You Latest Bangla News Online. Get Breaking News From The Most Reliable Bangladesh Newspaper; livenewsbd.co
You are here
Home > আন্তর্জাতিক > ধর্ষণে দোষী ‘বাবা’, সচ্চা-ভক্ত তাণ্ডবের বলি ৩০

ধর্ষণে দোষী ‘বাবা’, সচ্চা-ভক্ত তাণ্ডবের বলি ৩০

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ একের পর এক ওবি ভ্যান জ্বলছে। প্রাণ হাতে করে পালাচ্ছেন সাংবাদিকরা। পালাচ্ছে পুলিশও। পাথর ছুড়তে ছুড়তে এগিয়ে আসছে বিক্ষোভকারীরা। সংঘর্ষে নিহতের লাশ পড়ে রইল রাস্তাতেই। পুড়ে ছাই অ্যাম্বুল্যান্স। কাশ্মীর নয়, শুক্রবার দুপুর থেকে এমনই রণক্ষেত্রের চেহারা নিলো ভারতের হরিয়ানার পঞ্চকুলা।

প্রায় দেড় দশক আগেকার এক জোড়া-ধর্ষণ মামলায় ধর্মীয় সংগঠন ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিংহ দোষী সাব্যস্ত হতেই কার্যত গোটা হরিয়ানায় তাণ্ডব চালালেন তার ভক্ত-অনুগামীরা। হিংসার আঁচ পড়ল লাগোয়া চার রাজ্যে। পঞ্জাব, রাজস্থানে জ্বলল স্টেশন। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে, রাজধানী দিল্লিতে পুড়ল বাস। সব মিলিয়ে বিকেল থেকে ১০০টিরও বেশি সংঘর্ষে প্রাণ গেল অন্তত ৩০ জনের। এঁদের মধ্যে ২৮ জন নিহত হন পঞ্চকুলায়, দু’জন সিরসায়। এই সিরসাতেই ডেরা-র সদর দফতর। আহত আড়াইশোরও বেশি। ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটারও পরে পঞ্চকুলায় যান মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর। শুধু এখান থেকেই গ্রেফতার করা হয় প্রায় ১০০০ বিক্ষোভকারীকে। সন্ধ্যায় ৬ কলাম সেনা নামানো হয়েছে প়ঞ্চকুলায়।

এক জন স্বঘোষিত ধর্মগুরু ধর্ষক সাব্যস্ত হওয়ার পরে তার সমর্থকদের এমন লাগামছাড়া তাণ্ডব দেখে স্তম্ভিত গোটা দেশ। গুরমিত দোষী সাব্যস্ত হলে পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে যেতে পারে ভেবে আগেভাগেই একটা ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে অস্থায়ী জেলের চেহারা দিয়েছিল রাজ্য সরকার। ১৭৭ কোম্পানি আধাসেনা পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। তৈরি ছিল সেনাও। ১৪৪ ধারাকে তুড়ি মেরে গত ক’দিন থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় দেড় লক্ষ ডেরা-সমর্থক জড়ো হয়েছেন পঞ্চকুলায়। পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্ট যা নিয়ে গত কালই বিঁধেছিল রাজ্য সরকারকে। যার পরে হরিয়ানার অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেছিলেন, জেলার ডেপুটি কমিশনারের জারি করা ১৪৪ ধারার নির্দেশে কিছু ত্রুটি থেকে গিয়েছে।

ভিড় জমছিল চণ্ডীগড়েও। সিরসায় জমায়েত ছিল প্রায় ৫ লক্ষের। আজ সকালেও যেখানে টহল দিয়েছিল পুলিশ। সিরসা ও সংলগ্ন তিনটি গ্রামে কার্ফুও জারি ছিল। তা সত্ত্বেও কাজের কাজটা কী হল, সেই প্রশ্ন আজ উঠেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, গত বছর জাঠ-বিক্ষোভের সময়েই বোঝা গিয়েছিল, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দড় নন মুখ্যমন্ত্রী খট্টর। এ দিন ফের তা প্রমাণ হলো।
শুক্রবার সকাল ৯টা নাগাদ চণ্ডীগড় থেকে প্রায় ২০০ গাড়ির কনভয় নিয়ে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে আসেন ৫০ বছরের ডেরা-প্রধান। দু’টি গাড়িকে আদালত চত্বরে ঢুকতে দেয়া হলেও বাকিরা বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। দুপুরে রায় ঘোষণা হতেই দেখা যায়, গুরমিত-ভক্তদের অনেকেই কাঁদছেন। জ্ঞানও হারাচ্ছেন।

তার পরেই তাণ্ডব। আদালতের সামনের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন ডেরা-সমর্থকরা। পুলিশের সঙ্গে মারপিট শুরুর একটু পরেই দেখা যায়, রোষ পড়েছে সংবাদমাধ্যমের উপরে। পুলিশের সামনেই সাংবাদিকদের নামিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একাধিক ওবি ভ্যানে। জলকামান, কাঁদানে-গ্যাসে কাজ না হওয়ায় শূন্যে গুলি চালায় পুলিশ। এ বার পাথর ছোড়া শুরু করেন ডেরা সমর্থকেরা। দেখা যায়, বেশ কয়েকটি মারমুখী জটলায় রয়েছেন শুধুই মহিলারা।

পিছু হটতে বাধ্য হয় পুলিশ। জখম হন একাধিক পুলিশকর্তা। তত ক্ষণে জারি হয়েছে কার্ফু। আদালত চত্বর ছাড়িয়ে হিংসা ছড়াচ্ছে সেক্টর ফাইভ-সহ বিভিন্ন শপিং মল, দোকান, বাজার, থিয়েটার হলে। শেষ পর্যন্ত গুলি চালায় পুলিশ। তাতেই অন্তত পাঁচ জন ডেরা-সমর্থকের মৃত্যু হয় বলে খবর। দ্রুতই হিংসা ছড়িয়ে পড়ে পঞ্জাবে। জ্বলতে থাকে মানসার আয়কর ভবন, বারনালা টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, তিনটি রেলস্টেশন। গুরমিতের জন্মস্থান রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরের স্টেশনে শুরু হয় পাথর ছোড়া। দিল্লিতে বাসের পাশাপাশি আনন্দ বিহার স্টেশনের রেল ইয়ার্ডে আগুন লাগানো হয় দু’টি কামরায়।

সন্ধ্যায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চায় কেন্দ্র। শুক্রবার কিরগিজস্থান থেকে ফিরেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। পরে স্বরাষ্ট্রসচিব রাজীব মেহর্ষি বলেন, ‘‘উত্তেজনা রয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।’’ ঘটনার নিন্দা করেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধী।
১৯৯৯ সালে দুই শিষ্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল গুরমিতের বিরুদ্ধে। গোপন চিঠিতে একাধিক বার সেই অভিযোগ পেয়ে ২০০২-এ সিবিআই মামলা দায়ের করে ডেরা-প্রধানের বিরুদ্ধে। সাজা ঘোষণা হবে ২৮ তারিখ। সূত্রের খবর, অন্তত ৭ বছর জেল, এমনকী যাবজ্জীবনও হতে পারে তাঁর। আজকের হাঙ্গামায় যা কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, ডেরা-প্রধানের সম্পত্তি নিলাম করেই তার ক্ষতিপূরণ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। রোহতকের সুনারিয়া জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে গুরমিতকে। ডেরা অবশ্য জানিয়েছে, তারা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাচ্ছে।

সাধক, নায়ক, ধর্ষক…

তিনি একই সঙ্গে গায়ক, নায়ক আবার স্বঘোষিত ধর্মগুরু। টুইটারে তার পরিচয় আরও দীর্ঘ— দার্শনিক, খেলোয়াড়, নায়ক, চিত্রপরিচালক, শিল্প নির্দেশক, সঙ্গীত পরিচালক, লেখক, সুরকার, জীবনীকার… আরও কত কী! নিজস্ব ওয়েবসাইটে তিনি, ‘সাধু চিকিৎসক গুরমিত রাম রহিম সিংহ জি ইনসান’। আর ফিল্মে তিনি ভগবানের দূত, ‘মেসেঞ্জার অব গড’। আজ আদালত বলল, তিনি ধর্ষকও।

তিনি ধর্মীয় সংগঠন ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম, যার ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া নিয়ে জ্বলছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা দুই রাজ্য। তার সমর্থকদের তাণ্ডবের আঁচ পড়েছে রাজধানীতেও।

এ হেন ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে প্রথম ব্যভিচারের অভিযোগ আনেন এক সাংবাদিক রামচন্দ্র ছত্রপতি। পরে এক সাধ্বীর গোপন চিঠি পেয়ে ২০০২ সালে সিবিআই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে গুরমিতের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা শুরু করে। এর পরেই ডেরা সচ্চা সৌদার ম্যানেজার রঞ্জিত সিংহ খুন হয়ে যান। ওই বছরই অক্টোবরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন ‘পুরা সচ্‌’-র সম্পাদক ছত্রপতিও। দু’টি খুনের মামলাই এখনও চলছে।

কখনও খুন হতে হয়েছে, তো কখনও তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খোলার পরে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন তাঁর গাড়ির চালক। অভিযোগ, চার শ’ ভক্তকে জোর করে লিঙ্গচ্ছেদ করিয়েছিলেন এই স্বঘোষিত ধর্মগুরু। সে সময়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছিল, এতে মেয়েরা সুরক্ষিত হবেন ও ভগবানের আরও কাছাকাছি পৌঁছতে পারবেন সাধকেরা। এত অভিযোগের পরেও পৃথিবী জুড়ে ডেরা সচ্চার ভক্ত সংখ্যা ৬ কোটি। আর তাঁদের দানে, সম্পত্তির পরিমাণও লক্ষ কোটি ছুঁইছুঁই।

রাম রহিম সিংহকে ‘প্রণাম’ জানিয়েছিলেন মোদীও!

তখন সবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। ডাক দিয়েছেন স্বচ্ছ ভারতের। সেই ডাকে সাড়া দিতেই প্রকাশ্যে ডেরা সচ্চা সওদার গুরমিত রাম রহিম সিংহকে ‘প্রণাম’ জানালেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর ‘মনের কথা’ বুঝে বিজেপির তাবড় তাবড় নেতারাও তার পর ছুটে যান রাম রহিমের ডেরাতে। কারণ, রাম রহিম শুধু একজন ধর্মগুরু নন, তার বিশাল ভক্তকুল বিজেপির যে একটি বড় ভোটব্যাঙ্ক হতে পারে, সেটিও বুঝেছিলেন তারা।

ফল হলো হাতেনাতে। ২০১৪-র অক্টোবরে হরিয়ানার বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের বদলে বিজেপি-কে সমর্থন করার কথা ঘোষণা করলেন রাম রহিম। রাজ্যে প্রথম বার ক্ষমতায় এলো বিজেপি।
আজ সেই রাম রহিমের সাজা ও তার জেরে সচ্চা সওদার সমর্থকদের তাণ্ডব এবং ৩০ জনের প্রাণহানির পরে কাঠগড়ায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর। অভিযোগ, পরিস্থিতি সামালাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকায় তিনি যে খুশি নন, তা ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছেন মোদিও। টুইট করে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছেন ২৪ ঘণ্টা নিরলস কাজ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে। আগামিকাল সকাল এগারোটায় নর্থ ব্লকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের শীর্ষ কর্তাদের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সূত্রের খবর, খট্টরকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মোদি। মুখ্যমন্ত্রী খুব একটা ইচ্ছুক ছিলেন না। তাঁকে সরানোর জন্য চাপও বাড়ছে বিজেপির অন্দরে।

অবস্থা বুঝে আসরে বিরোধীরাও। কংগ্রেস সহ সভাপতি রাহুল গান্ধী ‘হরিয়ানার আইনশৃঙ্খলাহীনতা’ নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। শান্তি বজায়ের আবেদন জানিয়েছেন সনিয়া।
বিরোধীদের অভিযোগ, পরিস্থিতি যে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠতে পারে, সেটা তো বোঝাই যাচ্ছিল। তা হলে আগে থেকেই কেন ব্যবস্থা নিল না সরকার! কেন ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও ২০০ গাড়ির কনভয় নিয়ে হরিয়ানার সিরসা থেকে পঞ্চকুলার আদালত পর্যন্ত আসতে দেওয়া হলো রাম রহিমকে? কেন জড়ো হতে দেওয়া হলো তার ভক্তকুলকে?

অনেকের মতে, এ সবই ভোটের টানে। বছর দুয়েকের মাথায় ফের হরিয়ানায় ভোট। তার আগে লোকসভা নির্বাচন। তারও আগে হিমাচল, রাজস্থানে ভোট। সর্বত্রই রাম রহিমের দলিত ভক্তদের সমর্থনের দিকে তাকিয়ে বিজেপি।

এই জল্পনার সমর্থন মিলল আজ দিনভর নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরের ছবি দেখে। সেখানে কান পাততেই শোনা গেল, সিবিআই আদালত দোষী সাব্যস্ত করলেও কী করে রাম রহিমের দ্রুত জামিনের ব্যবস্থা করা যায়, তা নিয়ে দিল্লিতে তাবড় আইনজীবীদের সঙ্গে কথা সেরে রেখেছে বিজেপি। তার ভক্তরা যাতে বিজেপির থেকে মুখ ঘুরিয়ে না নেন, সে জন্য কঠোর পদক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকা হয়েছে।

এ তো পর্দার আড়ালের ঘটনা। রাতে একেবারে হাটে হাঁড়ি ভেঙেছেন উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ের বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ। তার প্রশ্ন, ‘‘কে ঠিক, কোটি কোটি মানুষ যাকে ভগবান বলে মনে করেন সেই রাম রহিম? না, তাঁর মতো মহান আত্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা সেই মেয়েটি?’’

সাক্ষী মহারাজের এই বক্তব্যের পাশে দাঁড়াচ্ছে না বিজেপি। আবার সচ্চা সওদার উপর খড়্গহস্তও হতে পারছে না। কেন পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেল, দিল্লির নেতাদের কাছে তার ব্যাখ্যা দিয়ে খট্টর বলেছেন, অনেক লোককে আটকানো হলেও বহু লোক আগে থেকেই পরিচয় গোপন করে অস্ত্র হাতে শহরে ছিল। কিন্তু আগে থেকে ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি আরো শোচনীয় হতে পারত। তা ছাড়া, সিরসা-পঞ্চকুলার রাস্তা তিন দিন ধরে বন্ধ করে দেয়া সম্ভব ছিল না। খট্টরের দাবি, আধাসেনার গুলিতেই এত লোক মারা গিয়েছে। তবে সবটাই আধ বেলার ঘটনা। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।

খট্টরের যুক্তি উড়িয়ে বিরোধীরা পাল্টা বলছেন, পঞ্চকুলায় জড়ো হওয়া রাম রহিমের ভক্তদের নিয়ন্ত্রণ করা তো দূরস্থান, উল্টে গত কাল রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রামবিলাস শর্মা বলেন, ‘‘ওই ভক্তরা সাধারণ, শান্তিপ্রিয় নাগরিক। ওরা পঞ্চকুলায় এসেছে ঠিকই, কিন্তু এখনও একটা গাছের গায়েও হাত দেয়নি।’’ বিরোধীদের অভিযোগ, এর থেকেই স্পষ্ট যে, ভোটের ভাবনায় কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার ইচ্ছাই ছিল না খট্টর সরকারের। ফলে যা হওয়ার তাই-ই হয়েছে।

Leave a Reply

Top