You are here
Home > খেলাধুলা > দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে টাইগারদের ‘সেরা দৌড়’

দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে টাইগারদের ‘সেরা দৌড়’

চলমান টেস্টের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের ইনিংস সর্বোচ্চ ছিল ৩২৬ রান। যদিও সেটা ঘরের মাঠে। কিন্তু প্রোটিয়াদের মাটিতে আজকের আগে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ইংনিংস ২৫২ রানের। ২০০২ সালে সাউথ আফ্রিকার ইস্ট লন্ডনে ওই সংগ্রহটা করেছিল টিম বাংলদেশ। দীর্ঘ ১৫ বছর পর আজ পচেফস্ট্রুমে ৩২০ রান করেছে মুশফিক-সাব্বিররা। অর্থাৎ প্রোটিয়াদের মাঠে অদ্যাবধি যে কয়বার লড়াইয়ে নেমেছে বাংলাদেশ, তার মধ্যে এটাই সেরা।

আজ তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনটা ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বস্তিদায়ক। তামিম ইকবালের বিয়োগ ছাড়া বাকিটা ছিল ঝলমলে। ৯১ রানের বিনিময়ে এক উইকেট হারায় বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনটা একেবারে বিবর্ণ কেটেছে টাইগারদের। ৪ উইকেট খুইয়ে স্কোরবোর্ডে যোগ হয়েছে ৯০ রান। আর শেষ সেশন শুরু হতে না হতেই অলআউট বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৬ রানের ইনিংস খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তুলে নিয়েছেন নিজের ১৪তম ফিফটিও। ১০৭ বলে ১০ চারের সাহায্যে ফিফটি পূর্ণ করেন রিয়াদ। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এটাই তার প্রথম অর্ধশতক। এর আগে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে তিন টেস্ট খেলা মাহমুদউল্লাহর নামের পাশে আছে এক ফিফটি। যেটা ঘরের মাঠে করেছিলেন এই টাইগার তারকা।

ফিফটি পেয়েছেন মুমিনুল হকও। পচেফস্ট্রুম টেস্টের তৃতীয় দিনে ১১২ বলে ৯টি চারের সাহায্যে ফিফটি পূর্ণ করেন মুমিনুল। যেটা তার ১২তম টেস্ট ফিফটি। গড়েছেন নতুন রেকর্ডও। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্টে এর আগে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ৭১ রান।

সেটা টপকে গেলেন মুমিনুল। ২৮ রান নিয়ে দিন শুরু করা এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ৭৭ রান নিয়ে আউট হয়েছেন। তার আউটে ভাঙল ৬৯ রানের জুটি। চলমান টেস্টে যেটা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ইনিংসে সেরা পার্টনারশিপ।

তামিম-মুমিনুল জুটিতে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল টিম বাংলাদেশ। তৃতীয় দিন এই বন্ধন খুব বেশিক্ষণ টেকেনি। স্কোরবোর্ডে মাত্র ৫ রান জমা পড়তেই ফিরে যান তামিম। ছিন্ন হয় ৫৫ রানের জুটি।

দক্ষিণ আফ্রিকার পাহাড়সম রানের বিপরীতে ব্যাট হাতে নেমে শুরুতেই আছাড় খান দুই ওপেনার। ইমরুল ৭ রানে আর লিটন ফিরলেন ২৫ রান করে। টপাটপ দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে খানিকটা চাপে টিম বাংলাদেশ। দ্বিতীয় উইকেটে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে শুরুর ধাক্কা সামলানো চেষ্টা চালান মুশফিক-মুমিনুল।

কিন্তু ব্যক্তিগত ৪৪ রানের মাথায় মুশিকে সাজঘরে পাঠিয়ে ৬৭ রানের জুটি চুরমার করে দেন কেশব মহারাজ। মুশফিক আউট হলেও অন্য প্রান্তে নিজের সহজাত ব্যাটিং করে যান মুমিনুল হক। তাকে কিছুক্ষণ সঙ্গ দেন তামিম ইকবাল। ৩৯ করে তামিম আউট হলে ভাঙে ৫৫ রানের জুটিও।

আগে ব্যাটিং করে ডিন এলগারের ১৯৯ আর হাশিম আমলার ১৩৭ রানে ভর করে ৪৯৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। এছাড়া দলকে ৯৭ রান উপহার দেন মার্করাম। দক্ষিণ আফ্রিকার খোয়া যাওয়া তিন উইকেটের মধ্যে একটি করে উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান এবং শফিউল ইসলাম। বাকি উইকেটটি এসেছে রান-আউট থেকে।

Leave a Reply

Top