তুরস্কে ‘ভবিষ্যৎ নির্ধারণী’ ঐতিহাসিক গণভোট !!!! – Live News BD, The Most Read Bangla Newspaper, Brings You Latest Bangla News Online. Get Breaking News From The Most Reliable Bangladesh Newspaper; livenewsbd.co
You are here
Home > আন্তর্জাতিক > তুরস্কে ‘ভবিষ্যৎ নির্ধারণী’ ঐতিহাসিক গণভোট !!!!

তুরস্কে ‘ভবিষ্যৎ নির্ধারণী’ ঐতিহাসিক গণভোট !!!!

ভোট দেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানপ্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে কি না——এ প্রশ্নে গতকাল রোববার তুরস্কে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা কামাল আতাতুর্ক ও তাঁর উত্তরসূরি ইসমেত ইনুনের পর থেকে যেকোনো তুর্কি নেতার চেয়ে বেশি ক্ষমতাধর হবেন এরদোয়ান। এরদোয়ানের নিজের কথায়, তুরস্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দেবে এই ভোট।

 তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে গতকাল স্থানীয় সময় সকাল সাতটায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। আঙ্কারা, ইস্তাম্বুল ও অন্যান্য শহরে ভোট গ্রহণ শুরু হয় তার এক ঘণ্টা পর। পরে খোলা কেন্দ্রগুলোতে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট নেওয়ার কথা। এর কিছু সময় পরই ফলাফল ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের হাতে আরও ক্ষমতা দেওয়ার জন্য সংবিধানে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার বিষয়ে ‘হ্যাঁ-না’ গণভোটের আয়োজন করা হয়। এই সিদ্ধান্ত দেবেন ৫ কোটি ৫৩ লাখ ভোটার। ভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে দেশটিতে প্রধানমন্ত্রীর পদ বিলুপ্ত হবে এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের পদ সৃষ্টি হবে। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের অধীনে চলে যাবে গোটা আমলাতন্ত্র। ২০১৯ সালের নভেম্বরের নির্বাচনের পর কার্যকর হবে নতুন ব্যবস্থা। তখন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান আরও দুবার পাঁচ বছরের ম্যান্ডেট নিতে পারবেন। অর্থাৎ, এখন থেকে আগামী ১২ বছর এরদোয়ানের পক্ষে প্রেসিডেন্ট থাকা সম্ভব হবে।

ইস্তাম্বুলে পরিবারের সঙ্গে ভোট দেওয়ার সময় এরদোয়ান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘সঠিক সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে তুরস্কের জনগণ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবে।…এই গণভোট তুরস্ক প্রজাতন্ত্রে নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থা আনার জন্য পরিবর্তন ও রূপান্তরের একটা পথ।’

গণভোট অনুষ্ঠানের আগেই পক্ষপাতের অভিযোগ এনেছে বিরোধী মহল। তাদের ভাষ্য, সর্বত্র সরকারি উদ্যোগে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো হয়েছে। কিন্তু ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাতে দেওয়া হয়নি। ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থানকারী রিপাবলিক পিপলস পার্টির নেতা কামাল কুচদারোলো বলেন, ‘আমরা তুরস্কের ভবিষ্যতের জন্য ভোট দিচ্ছি।’

 ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্রুকলিন ইনস্টিটিউশন বলেছে, তুরস্কে পরিবর্তন আনায় ভোটাররা সম্মত হলে তা দেশটির ৯৪ বছরের শাসনব্যবস্থা ও রাজনীতিতে অত্যন্ত বড়সড় নাড়া দেবে।

Leave a Reply

Top