You are here
Home > প্রচ্ছদ > যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকবেনঃ তোফায়েল আহমেদ

যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকবেনঃ তোফায়েল আহমেদ

স্টাফ রিপোর্টারঃ আওয়ামী লীগ উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ১৬দশ সংশোধনী বাতিলের মামলায় এমিকাস কিউরদের মধ্যে যারা সংবিধানের সাথে যুক্ত ছিলেন, তারা কিভাবে সামরিক শাসনের জঞ্জালে সংবিধানে যুক্ত করার পরামর্শ দেন?জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।নগরীর শহীদ কর্নেল তাহের মিলনায়তনে ‘শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরভাস্বর’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে। তোফায়েল আহমেদ আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করে জিয়া নিজেই প্রমাণ করেছেন তিনি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সাথে যুক্ত ছিলেন। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকবেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ৯৩ দিন আগুন যুদ্ধ চালিয়ে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা বন্ধ করতে চেয়েছিলেন।

এতে সভাপতির বক্তব্যে হাসানুল হক ইনু এমপি বলেন, যারা স্বাধীনতা মেনে নিতে পারেনি, তারা মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। আজ যারা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার মেনে নিতে পারছে না- তারাই আগুনসন্ত্রাস-জঙ্গিসন্ত্রাস করে দেশ ও জাতির উপর প্রতিশোধ নিচ্ছে। ইনু বলেন, একাত্তরের খুনি, পঁচাত্তরের খুনি, আগুনসন্ত্রাসী, জঙ্গিসন্ত্রাসীদের সাথে আপস করে বাংলাদেশ এক পাও সামনের দিকে এগুতে পারবে না। বারবার প্রমাণ হয়েছে, একাত্তরের খুনি, পঁচাত্তরের খুনি তাদের দোসরদের ছাড় দেয়া হলে, ছাড়ের সুযোগ নিয়েই তারা পিছন থেকে জাতির পিঠে ছোবল হানে। বাংলাদেশে যেন আর কোনো দিন ১৫ আগস্ট, ২১ আগস্ট না ঘটে তার জন্য নির্বাচন আর গণতন্ত্রের নামে একাত্তর, পঁচাত্তরের খুনি ও তাদের দোসরদের এক চুলও ছাড় দেয়া হবে না। ১৬দশ সংশোধনী বাতিলের রায়ে অপ্রাসঙ্গিকভাবে বঙ্গবন্ধুকে ছোট করা, সংসদকে ছোট করা, সামরিক শাসনের জঞ্জালকে বড় করা দেখে মনে হচ্ছে প্রধান বিচারপতি পাকিস্তানিদের পাতা ফাঁদে পা দিয়েছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক বিচক্ষণতা বঙ্গবন্ধুকে শুধু বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, জাতির পিতায় পরিণত করেনি, বিশ্বের অন্যতম সেরা গণনায়কে পরিণত করেছিল।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি, স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান, সেক্টর কমান্ডার ফোরামের মহাসচিব হারুন হাবিব, জাসদ স্থায়ী কমিটির সদস্য মীর হোসাইন আখতার, অ্যাডভোকেট শাহ জিকরুল আহমেদ, অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান শওকত, নাদের চৌধুরী, নুরুল আখতার, সহ-সভাপতি শফি উদ্দিন মোল্লা, শহীদুল ইসলাম, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চুন্নু, নইমুল আহসান জুয়েল, রোকনুজ্জামান রোকন, ঢাকা মহানগর পশ্চিম জাসদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুন্নবী, ঢাকা মহানগর উত্তর জাসদের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাসদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুহিবুর রহমান মিহির, ঢাকা মহানগর পূর্ব জাসদের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম শাহ আলম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মুহাম্মদ সামছুল ইসলাম প্রমূখ।

Leave a Reply

Top