চিরিরবন্দরে ঈদ-উল আযাহাকে সামনে রেখে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন কামার শিল্পীরা। – Live News BD, The Most Read Bangla Newspaper, Brings You Latest Bangla News Online. Get Breaking News From The Most Reliable Bangladesh Newspaper; livenewsbd.co
You are here
Home > জীবন-যাপন > চিরিরবন্দরে ঈদ-উল আযাহাকে সামনে রেখে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন কামার শিল্পীরা।

চিরিরবন্দরে ঈদ-উল আযাহাকে সামনে রেখে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন কামার শিল্পীরা।

মোঃ নুর আলম, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

চিরিরবন্দর উপজেলায় কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে বিন্যাকুড়ি, কারেন্টহাট, দুর্গাডাঙ্গা, অকড়াবাড়ী, আমবাড়ী, রানীরবন্দর সহ বিভিন্ন গ্রাম গঞ্জের হাট বাজারের কামার শিল্পীরা দা, বুটি, কুড়াল তৈরীতে ব্য¯— সময় কাটাচ্ছেন। ক্রেতার সংখ্যা কম থাকায় এ শিল্পের সাথে সংশি­ষ্টরা হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। জানা গেছে, উপজেলার দেড় শতাধিক পরিবার কামার শিল্পের সাথে জড়িত। ৭০ বছর ধরে এ শিল্প তাদের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। এখন আর ভালো মুনাফা না থাকায় দিন দিন এ শিল্প ছেড়ে লোকজন অন্যকাজে জড়িয়ে পড়ছে।
গত শুক্রবার বিন্যাকুড়ি বাজারে কর্মকার পট্টি ঘুরে দেখা গেছে, কামার শিল্পীরা দা, কুড়াল, ছ্যানা, চাপাতি ও বটিসহ বিভিন্ন লোহার পণ্য সামগ্রী তৈরী করে পসরা সাজিয়ে বসে আছে। ক্রেতার সংখ্যা কম থাকায় তারা হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এ বছর পুরাতন মালামাল বেশী মেরামত হচ্ছে বলে জানান এক কামার শিল্পী।
নতুন জিনিস বিক্রির সংখ্যা কম। বাজারে যা বিক্রি হচ্ছে লোহার প্রকার ভেদে জিনিসির দাম ভিন্ন। ভাল মানের লোহার জিনিসির দাম বেশী। চিরিরবন্দর জগনাথপুর শচীন্দ্রনাথ রায় কর্মকার জানান, পৈত্রিক সুত্রে এ পেশায় ৪০ বছর ধরে রেখেছি। এখন বৃদ্ধ বয়সে আর পারছি না। গত বছরের তুলনায় এ বছর বিক্রি কম। গনেশ চন্দ্র রায় কর্মকার জানান, এ শিল্পের সাথে একদিন যারা জড়িত ছিল আজ অনেকেই এ পেশায় নেই। কোরবানীর সময় ঘনিয়ে এলেও তেমন বেচাকেনা হচ্ছে না। অ¶য় বাবু কর্মকার বলেন, বাজারে ৪’শত ও ৬’শত টাকা কেজি দরে দা, বটি, ছুরি ও চাপাতি বিক্রি হচ্ছে এবং পুরাতন দা ৭০ টাকা, কুড়াল ১৫০ টাকা, বটি ৫০ টাকা ও ছুরি ৫০ টাকা দরে সান দেওয়া হয়। কোথা বাবু কর্মকার জানান, আমি কর্মচারী হিসাবে দৈনিক সাড়ে তিনশত টাকায় মজুরী নিয়ে কাজ করি। কাজ থাকলে মজুরি পাই না থাকলে পাই না। এভাবে চলে আমার জীবন সংসার।
দ: পলাশবাড়ী গ্রামের মো: রিয়াজ উদ্দীন, চিরিরবন্দর মাঝাপাড়ার মো: ওসমান আলী, চিরিরবন্দর খোচনা গ্রামের যতীশ চন্দ্র রায় বলেন, পুরাতন দা, কুড়াল, বটি ও ছুরি সান দেওয়ার প্রতি ঈদে কর্মকারের কাছে আসি।
দগরবাড়ী গ্রামের আজমল বলেন, পুরাতন দা ও বটি মেরামত করেছি এবং নতুন বটি ২০০ টাকা, কুড়াল ৫০০ টাকা, দা-৫০০ টাকা কেজি দরে কিনে এনেছি। ছবি আছে

Leave a Reply

Top