You are here
Home > বিনোদন > চলচ্চিত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

চলচ্চিত্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিনোদন ডেস্ক  :

 

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাংলা সাহিত্য যার কাছে চিরজীবন ঋণী। শুধু বাংলা সাহিত্যই নয়, অনেক শিল্পী, নির্মাতা, লেখক রবীন্দ্রনাথকে অবলম্বন করেই টিকে আছেন। গানের জন্য, সুরের জন্য, ছবির গল্পের জন্য তারা বারবার হাত পেতেছেন রবীন্দ্রনাথের কাছে। নিরাশ করেননি রবীন্দ্রনাথ। নিরাশ করেনি তাঁর সৃষ্টিকর্ম। বিশ্বকবির প্রয়াণদিবসে বাডি মন্ত্র ওয়েবসাইটের সৌজন্যে আজ থাকছে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা ১০টি চলচ্চিত্রের খবর।

১. চোখের বালি

রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি’ উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে একই নামে চলচ্চিত্র তৈরি করেন ঋতুপর্ণ সেন। বিনোদিনী নামের এক বিধবার মানসিক অবস্থাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ছবিটির কাহিনী। দুই বিধবার মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সম্পর্ক নিয়ে ছবিটির কাহিনী পায় নতুন মাত্রা।

২. চারুলতা

ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন সত্যজিৎ রায়। চারুলতা ছবিটির কাহিনী নেয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথের ‘নষ্টনীড়’ গল্প থেকে। অবহেলিত এক গৃহবধূর গল্প বলা হয়েছে ছবিটিতে। যেখানে দেবরের সঙ্গে ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্র চারুর এক অব্যক্ত সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

৩. উপহার

উপহার ছবিটির কাহিনী ধার করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথের ‘সম্পত্তি’ থেকে। ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্র মিনু বেশ সহজ সরল। ছবির নায়ক অনুপের সাথে বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরেও নিজের সারল্য থেকে বের হতে পারে না মিনু। কিন্তু নিজের শাশুড়ি সংস্পর্শে ভেঙে যায় মিনুর সহজ সরল ভাবমূর্তিটি।

৪. কাবুলিওয়ালা

‘কাবুলিওয়ালা’ গল্প থেকে একই নামে তৈরি করা হয় চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটিতে ফুটে ওঠে আফগানিস্তানের খোরমা-খেজুর বিক্রেতা রহমতের সঙ্গে গ্রামের ছোট মেয়ে মিনুর বন্ধুত্ব। আফগানিস্তানে মিনুর বয়সী রহমতেরও একটি মেয়ে ছিল। বাবা ও মেয়ের বন্ধনকে সুনিপুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে ছবিটির গল্পে।

৫. অতিথি

এই ছবিটি করেছেন পরিচালক তপন সিংহ। ছবিটি যে শুধু আনন্দই দেবে তা কিন্তু নয়। এটি আপনাকে অবাকও করবে। ছবিটিতে ‘তারা’ নামের একটি ছোট বালকের গল্প বলা হয়েছে। যে জীবনকে উপভোগ করতে নিজের ঘর ছেড়ে বাইরে চলে আসে।

৬. ডাকঘর

গল্পের নামেই রাখা হয়েছে ছবিটির নাম। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন যুল ভেল্লানি। ছবিটিতে বলা হয়েছে ‘অমল’ নামের এক বালকের গল্প। যে শারীরিক অসুস্থতার জন্য ঘরের বাইরে যেতে পারে না। কিন্তু বাইরে যেতে না পারলেও তার মনের ডাকঘরে সে চিঠি আদান প্রদান করে চলে অবিরত।

৭. মিলন

ছবিটির কাহিনী নেওয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথের ‘নৌকা ডুবি’ উপন্যাস থেকে। ছবিতে কৌতুকের পাশাপাশি বর্ণ বৈষম্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে। ছবির কাহিনী শুরু হয় রমেশ ও হেমা মালিনির প্রেম দিয়ে। পরেএই রমেশ বিয়ে করে সুশীলাকে। পরে ছবিটির দৃশ্যপটে আসে কমলা চরিত্রটি।

৮. ঘরে বাইরে

সত্যজিৎ রায়ের ছবিটির গল্প নেওয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাস থেকে। নিখিলেশ ও তার স্ত্রী এবং বন্ধুর মধ্যকার ত্রিমুখী ভালোবাসার গল্পকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যায় ছবিটি।  উপন্যাসের মতো ছবিটির গল্পকে বসিয়ে দেওয়া হয় দেশভাগের পটভূমির ওপর।

৯. চতুরঙ্গ

ছবির কাহিনী নেওয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথের ‘চতুরঙ্গ’ থেকে। ঔপনিবেশিক উত্তাল বাংলাকে তুলে ধরা হয়েছে ছবিটিতে। শচীশ নামের চরিত্রের কর্মকাণ্ড ও চিন্তাধারাকে কেন্দ্র করে এগিয়ে গিয়েছে ছবিটির কাহিনী।

১০. লেকিন 

ছবিটির কাহিনী ধার করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথের ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ গল্প থেকে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন গুলজার। ছবিতে সামির নামের এক যুবক প্রেমে পড়ে রেবা নামের একটি নারীর বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্ব নেই। সারাক্ষণই নিজের মনে রেবাকে খুঁজে বেড়াতে থাকে সামির।

Leave a Reply

Top