You are here
Home > বিনোদন > গাড়িতে বসেও মদ পান করছিলেন বিক্রম-সোনিকা?

গাড়িতে বসেও মদ পান করছিলেন বিক্রম-সোনিকা?

স্টাফ রিপোর্টারঃ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ের গাড়িটির ফরেনসিক পরীক্ষার সময় একটি পানির বোতল পাওয়া গেছে। ওই বোতলে পানির সঙ্গে কোনো কিছু মেশানো ছিল কি না, তা জানতে বোতলটিও ফরেনসিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। অর্থাৎ গাড়িতে বসেও বিক্রম-সোনিকা মদ পান করেছিলেন কি না, তা জানতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

বিক্রম চট্টোপাধ্যায় গাড়ির গতি এবং মদপান নিয়ে আগেই তদন্তকারীদের দ্বিধাদ্বন্দ্বে ফেলেছিলেন। দুর্ঘটনার রাতে তিনি যে সময়ের বিবরণ দিয়েছেন, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে পুলিশে। তাই আবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, পার্টি শেষে সুইনহো লেনে নিজের বাড়ির সামনে আধা ঘণ্টা গাড়িতে বসে মডেল-বান্ধবী সোনিকা সিংহ চৌহানের সঙ্গে গল্প করেছিলেন বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন বিক্রম। তাঁর সঙ্গে দুর্ঘটনার সময়ের ৩৫ থেকে ৪০ মিনিটের ব্যবধান হচ্ছে। সুইনহো লেন থেকে গভীর রাতে লেক মার্কেটের সামনে পৌঁছাতে অত সময় লাগার কথা নয়। তাহলে ওই মাঝের সময় তাঁরা কোথায় ছিলেন, তা জানতে চান তদন্তকারীরা। সেই সূত্রেই গাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া পানির বোতলটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সোনিকার মুঠোফোনটি তাঁর মা–বাবা থানায় জমা দিয়েছেন। সেটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ফোন ঘেঁটে ওই রাতে সোনিকার কথোপকথন ও খুদে বার্তা দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা। দুর্ঘটনার পর ফোনটি সোনিকার এক বন্ধুর কাছে ছিল। পরে তিনি সেটি অভিনেতা সাহেব ভট্টাচার্যের মাধ্যমে সোনিকার বাড়ির লোকের হাতে তুলে দেন।

তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় বহুবার বয়ান বদলেছেন ‘ইচ্ছেনদী’ ধারাবাহিকের এই নায়ক। সাংবাদ সম্মেলন ডেকে বেপরোয়া গতি ও মদপানের কথা অস্বীকার করলেও তা পরে অসত্য প্রমাণ হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রথমে উনি বলেছিলেন, ওভারটেক করতে গিয়ে একটি অন্য গাড়ি তাঁকে ফুটপাতের দিকে চেপে দিয়েছিল। পরেরবার বলেন ট্রাম লাইনে গাড়ির চাকা পিছলে গিয়েছিল। তৃতীয়বার বলেন, অন্যমনস্ক হয়েই তিনি গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারান।’

পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার বিক্রমের গাড়ি পরীক্ষা করে গাড়ি নির্মাতা সংস্থা ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা পুলিশকে মৌখিকভাবে জানিয়েছিলেন, গাড়ির গতি স্বাভাবিকের অনেক বেশি ছিল। ওই দিন পুলিশ জানিয়েছিল, দুর্ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ওই জায়গায় রাস্তাটি সামান্য বাঁক নিয়েছে। ফলে বেসামাল অবস্থায় দ্রুতগতিতে গাড়ি চালালে বিপদ ঘটতেই পারে।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার গাড়িটির ফরেনসিক পরীক্ষার সময় একটি পানির বোতল পাওয়া যায়। সেখানে পানির সঙ্গে মদ মেশানো ছিল কি না, তা জানতে বোতলটি ফরেনসিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

Top