You are here
Home > জীবন-যাপন > গাজীপুরে আবাসিক হোটেলের নামে পতিতালয় ! পতিতালয় চলছে,চলবে ! বন্ধ করবে কে !!!!!

গাজীপুরে আবাসিক হোটেলের নামে পতিতালয় ! পতিতালয় চলছে,চলবে ! বন্ধ করবে কে !!!!!

সুমা আক্তার ,স্টাফ রিপোর্টার :-

দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চলে আসা গাজীপুরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে পতিতা ব্যবসা রোজার মাসেও জমজমাট। যৌন ব্যবসার পাশাপাশি লেনদেন হয় মাদকের বড় বড় চালান। এসব আবাসিকের নিচে অপেক্ষা করলেই দেখা মিলে ইয়াবা সেবী তরুণ-তরুণীরা নিয়মিত আসা-যাওয়া করছে। গাজীপুরের চৌরাস্তা, কোনাবাড়ি, বোর্ডজাবার, টঙ্গী ও হোতাপাড়া এলাকার-সহ বিভিন্ন আবাসিক হোটেলের নিত্য দিনের চিত্র বলে জানা যায়।

পবিত্র রমজান মাসকে অসম্মান করে মুখে মেকআপ অশ্লীল পোশাক, মুখে সিগারেট, কেউ শুয়ে আবার কেউ বা বসে খদ্দেরের জন্য অপেক্ষায় মেতে উঠেছে। সরে জমিনে ঘুরে দেখা গেছে, গাজীপুরের কোনাবাড়ি কাঁচাবাজার এলাকায় আবাসিক হোটেল মুনে র্দীঘদিন ধরে আবাসিক ব্যবসার নামে চলছে যৌন ব্যবসা। একই কায়দায় কোনাবাড়ির ড্রীমল্যান্ড, মডাণ, ইয়ার-ইন্টারন্যাশনাল, রেইনবো, অতিথি, বোনভোজন, পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার গোল্ডিন সান, চৌরাস্তার ঈশাখাঁ, রাজমণি, শাপলা, বিলাস, নিউ রাজধানী, এশিয়া, মিডনাইট, প্যারিস, গাজীপুর সদর হোতাপাড়ায় এলাকায় আবাসিক রোজভেলি, বৈশাখী, বোর্ডবাজার এলাকায় হোটলে ময়নামতি, রোজগার্ডেন, টঙ্গীতে অনামিকা, হোটেল টঙ্গী, হোটেল স্বাগতমসহ মেঘেরছায়া পিকনিক স্পটেও চলছে কটেজ ভাড়ার নামে অনৈতিক কার্যকলাপ।

এসব প্রত্যেকটি আবাসিকের প্রবেশ পথেই রয়েছে কাউন্টার। খদ্দের এসেই কাউন্টারে ৩০০ টাকা জমা দিয়ে পছন্দমত সুন্দরী রমণী নিয়ে রুমে প্রবেশ করছে। স্থানীয়রা জানায়, বাহির থেকে নারী পুরুষ একসঙ্গে স্ত্রী পরিচয়ে ৫’শ টাকা ভাড়া দিলেই বিশ্রামের নামে রুমে ঢুকে আনন্দ-উল্লাস করে। কেউ কৌশলে নারীদের এনে এখানে চরিত্র হনন করার ফাঁদে ফেলে। মাঝের মধ্যে পুলিশ এসে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে কিছু আটক করে নিয়ে যাওয়ার কিছুণ পরেই তা আবারো চালু হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতা জানান, প্রায় পাঁচ বছর ধরে নামে মাত্র আবাসিক হোটেল কিন্তু তাদের মূলধান্ধা পতিতা ব্যবসা ও মাদক ব্যবসা। তিনি বলেন, বিষয়টি স্থাীয় এমপি’ এ্যাড. আ.ক.ম মোজাম্মেল হকের নজরে দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। রহস্যজনক কারণে স্থানীয়ভাবে প্রতিবাদ করা যাচ্ছে না।

প্রত্যেকটি আবাসিক হোটেল মার্কেট সংলগ্ন হওয়ায় অতিসহজেই এসব যৌন ও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে এক শ্রেণির অসাধু লোকেরা। শপিং করার নামে নারী পুরুষ ও স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাও উঠা-নামা করে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পবিত্র রোজার মাসও মানছে সমাজের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও অসাধু কিছু পুলিশের লোকেরা। তারা তাদের পকেট ভারি করে রিতিমত সেল্টার দিয়ে যাচ্ছে। আর সুযোগে পরিচালানা করছে এসব অসামাজিক কার্যকলাপ। এসব দেখার কেউ নেই প্রতিবাদ করলে ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে নাজেহালের শিকার হতে হয়। আর কতদিন এইভাবে চললে শেষ হবে পতিতা ব্যবসা! স্থানীয়দের এটাই এক মাত্র প্রশ্ন আর আবেগ ছাড়া কিছুই করার নেই বলে তারা জানান।

এ বিষয়ে গাজীপুর জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির জানান, অচিরেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
………………………………………………চলবে………………………………………………………………

Leave a Reply

Top