You are here
Home > নারী ও শিশু > গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিসঃ লক্ষণ ও প্রতিকার !!!!

গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিসঃ লক্ষণ ও প্রতিকার !!!!

গবেষণায় দেখা গেছে যে অন্তত দশ শতাংশ নারীর গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা থাকে। গর্ভাবস্থায় ভ্রূণের তৈরি, বেড়ে ওঠার জন্য প্লাসেন্টা বিভিন্ন রকমের হরমোন তৈরি করে যার জন্য মায়ের শরীরে বেশি মাত্রায় গ্লুকোজ তৈরি করে। আর এই গ্লুকোজকে সঠিকভাবে ব্যবহার করার জন্য মার শরীরে বেশি ইনসুলিন তৈরি হয়। মায়ের শরীর হঠাৎ এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত থাকে না এবং যথেষ্ট ইনসুলিন রিলিজ করতে পারে না, ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়তে থাকে আর ফলাফল হিসেবে দেখা দেয় গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস। টনিক নিয়ে এলো আপনার জন্যে গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিসের লক্ষণ ও প্রতিকার।

ডায়বেটিসের আসলে নির্দিষ্ট কোনো লক্ষণ নেই যা দেখে আপনি নিশ্চিত হতে পারবেন, কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই নীচের লক্ষণগুলো দেখা দেয় –

অতিরিক্ত তৃষ্ণা পাওয়া
বার বার প্রস্রাব হওয়া
অস্বাভাবিক ক্লান্তি
বার বার যোনিমুখে ইস্ট ইনফেকশন বা থ্রাশ হওয়া
তবে এই লক্ষণগুলোর বেশিরভাগই গর্ভবতী নারীদের অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। তাই আপনার গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস হয়েছে কি না এটা পুরোপুরি নিশ্চিত হবার একটাই উপায়, তা হলো রুটিন ব্লাড গ্লুকোজ টেস্ট। গর্ভাধারণের পর প্রথম চেকআপেই এই টেস্ট করা উচিত এবং গর্ভের ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহে পুনরায় করা উচিত।

গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের উপায়

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যকর ডায়েট আর ব্যায়ামের মাধ্যমে গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

এর ফলে –

রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা ডাক্তারের পরামর্শ মতো নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
গর্ভের সন্তান আর মা দুইজনের জন্যেই পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিত করা যায়।
গর্ভাবস্থায় সঠিক ওজন বজায় রাখা সহজ হয়।
তবে অনেক মায়েরই ইনসুলিন ইনজেকশন লাগতে পারে, এজন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে নিয়মিত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল মায়ের রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়মিত চেক-আপের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখা। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিসের জটিলতা এড়ানো যায় সহজেই।

Leave a Reply

Top