You are here
Home > সারা বাংলা > জেলার খবর > কালীগঞ্জে তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে ৯টি বয়স্ক ভাতার কার্ড বাতিল!

কালীগঞ্জে তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে ৯টি বয়স্ক ভাতার কার্ড বাতিল!


ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় একাধিক কোটিপতির নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়া হয়েছে। দলীয় কায়দা ও এক শ্রেনীর জনপ্রতিনিধিরা অর্থের বিনিময়ে এ সব কার্ড করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যে কার্ড সমাজের প্রকৃত দুঃস্থ্য, অসহায়, অস্বচ্ছল ও গরীবদের পাওয়ার কথা, সেই কার্ড দেওয়া হচ্ছে দুইতলা ও তিনতলা বাড়ির কোটিপতি মালিকদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকার ৩৫ কার্ডের মধ্যে ১১টি বাতিল করা হয়েছে। এর আগে কালীগঞ্জ পৌরসভার দু’জন কোটিপতি ব্যবসায়ী সুকুমার ব্যানার্জি ও নিশ্চিন্তপুরের তিনতলা বাড়ির মালিক নিশি কান্ত সাহার নামে বয়স্ক ভাতার কার্ডের তথ্য ফাঁস হয়। অভিযোগ উঠেছে কিছু রাজনীতি ব্যক্তি ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর টাকার বিনিময়ে এই কার্ডগুলো প্রকৃত দুঃস্থ্য, অসহায়, অস্বচ্ছল গরীবদের পরিবর্তে স্বচ্চল ব্যক্তিদের করে দিচ্ছেন। এতে অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ ইং অর্থ বছরে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৯ ওয়ার্ডে ৩৫ জন ব্যক্তিকে বয়স্ক ভাতার কার্ড দেয় উপজেলা সমাজ সেবা অফিস।

কিন্তু যারা কার্ড পেয়েছেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল ও দুইতলা তিন তলা বাড়ির মালিক। এ নিয়ে হৈ চৈ পড়ে যায় গোটা কালীগঞ্জ জুড়ে। গঠিত হয় ৮ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি। তদন্ত শেষে দেখা যায়, কালীগঞ্জের শ্রীরামপুর গ্রামের মরিয়ম বেগম (বই নং ৬৭৩১), বাকুলিয়া গ্রামের সুন্দরী বিবি (বই নং ৬৭৩৪), জাহানারা বেগম (বই নং ৬৭৩৬), বলিদাপাড়া গ্রামের সেকেন্দার আলী (বই নং ৬৭৪৪), শচীন্দ্রনাথ সরকার (বই নং ৬৭৪৬),আয়ুব হোসেন (বই নং ৬৭৫১), বড়রায় গ্রামের হাজেরা বেগম (বই নং ৬৭৫২), চাচড়া গ্রামের খায়রুন্নেছা (বই নং ৬৭৫৯) ও ফয়লা গ্রামের গোলাম হোসেন (বই নং ৫৮২০) আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল ও তাদের ঘরবাড়িতে আভিজাত্যের ছাপ। কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ছাদেকুর রহমান জানান, বয়স্ক ভাতা বিতরণে অনিয়মের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই বাছাই করা হয়। তদন্তে ৯ জন নারী-পুরুষ স্বচ্ছল বলে তদন্ত কমিটি প্রমাণ পায়। ফলে বৃহস্পতিবার তাদের ভাতার কার্ড বাতিল করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, প্রকৃত অসচ্ছল, দুঃস্থ্য, অসহায় ও গরীবদের মধ্যে এই বয়স্ক ভাতার কার্ড বিতরণ করা হবে।
কালীগঞ্জে তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে ৯টি বয়স্ক ভাতার কার্ড বাতিল!
ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় একাধিক কোটিপতির নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়া হয়েছে। দলীয় কায়দা ও এক শ্রেনীর জনপ্রতিনিধিরা অর্থের বিনিময়ে এ সব কার্ড করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যে কার্ড সমাজের প্রকৃত দুঃস্থ্য, অসহায়, অস্বচ্ছল ও গরীবদের পাওয়ার কথা, সেই কার্ড দেওয়া হচ্ছে দুইতলা ও তিনতলা বাড়ির কোটিপতি মালিকদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ পৌরসভা এলাকার ৩৫ কার্ডের মধ্যে ১১টি বাতিল করা হয়েছে। এর আগে কালীগঞ্জ পৌরসভার দু’জন কোটিপতি ব্যবসায়ী সুকুমার ব্যানার্জি ও নিশ্চিন্তপুরের তিনতলা বাড়ির মালিক নিশি কান্ত সাহার নামে বয়স্ক ভাতার কার্ডের তথ্য ফাঁস হয়। অভিযোগ উঠেছে কিছু রাজনীতি ব্যক্তি ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর টাকার বিনিময়ে এই কার্ডগুলো প্রকৃত দুঃস্থ্য, অসহায়, অস্বচ্ছল গরীবদের পরিবর্তে স্বচ্চল ব্যক্তিদের করে দিচ্ছেন। এতে অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ ইং অর্থ বছরে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৯ ওয়ার্ডে ৩৫ জন ব্যক্তিকে বয়স্ক ভাতার কার্ড দেয় উপজেলা সমাজ সেবা অফিস।

কিন্তু যারা কার্ড পেয়েছেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল ও দুইতলা তিন তলা বাড়ির মালিক। এ নিয়ে হৈ চৈ পড়ে যায় গোটা কালীগঞ্জ জুড়ে। গঠিত হয় ৮ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি। তদন্ত শেষে দেখা যায়, কালীগঞ্জের শ্রীরামপুর গ্রামের মরিয়ম বেগম (বই নং ৬৭৩১), বাকুলিয়া গ্রামের সুন্দরী বিবি (বই নং ৬৭৩৪), জাহানারা বেগম (বই নং ৬৭৩৬), বলিদাপাড়া গ্রামের সেকেন্দার আলী (বই নং ৬৭৪৪), শচীন্দ্রনাথ সরকার (বই নং ৬৭৪৬),আয়ুব হোসেন (বই নং ৬৭৫১), বড়রায় গ্রামের হাজেরা বেগম (বই নং ৬৭৫২), চাচড়া গ্রামের খায়রুন্নেছা (বই নং ৬৭৫৯) ও ফয়লা গ্রামের গোলাম হোসেন (বই নং ৫৮২০) আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল ও তাদের ঘরবাড়িতে আভিজাত্যের ছাপ। কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ছাদেকুর রহমান জানান, বয়স্ক ভাতা বিতরণে অনিয়মের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই বাছাই করা হয়। তদন্তে ৯ জন নারী-পুরুষ স্বচ্ছল বলে তদন্ত কমিটি প্রমাণ পায়। ফলে বৃহস্পতিবার তাদের ভাতার কার্ড বাতিল করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, প্রকৃত অসচ্ছল, দুঃস্থ্য, অসহায় ও গরীবদের মধ্যে এই বয়স্ক ভাতার কার্ড বিতরণ করা হবে।

Leave a Reply

Top