You are here
Home > জাতীয় > কঠিন নীতিমালায় গাজীপুর কেজি স্কুল এসোসিয়েশন

কঠিন নীতিমালায় গাজীপুর কেজি স্কুল এসোসিয়েশন


ইমন খানঃ

করোনা ভাইরাসের কারনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মালিক ও সংশ্লিষ্টরা। এমন্তবস্থায় কঠিন এক নীতিমালা প্রনয়ণ করেছে শিক্ষার্থী ও অভিবাবকদের প্রতি। ৫ ই ডিসেম্বর বেলা ১১টায় বাসন থানা কেজি স্কুল এসোসিয়েশন কতৃক আয়োজিত বর্ধিত সভার আয়োজনে নীতিমালা পাঠ করেন গাজীপুর কেজি স্কুল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজ পরিষদের সদস্য সচিব মোঃ আনিসুর রহমান মাষ্টার। বাসন থানা কেজি স্কুল এসোসিয়েশন এর সভাপতি মোঃ আলমগীর কবিরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস ইউ রবিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিল র মোঃ রফিকুল ইসলাম, ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী আব্দুল কাদির মন্ডল, মহিলা কাউন্সিলর রোকসানা রোজী প্রমূখ।
নীতিমালা গুলো হচ্ছে
১/শিক্ষার্থীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তন


(ক) কোন শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করতে চাইলে তাকে অবশ্যই ওই প্রতিষ্ঠানের সকল বকেয়া পরিশোধ সাপেক্ষে বেতন রশিদ গ্রহণ পূর্বক টি সি প্রত্যয়নপত্র নিয়ে যেতে হবে।
(খ)প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিশোধিত রশিদ পাওয়ার পর টি সি প্রত্যয়নপত্র দিতে গড়িমসি করতে পারবে না।
(গ) কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আগত ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে বকেয়া রশিদ ও টি সি প্রদর্শনপূর্বক ভর্তি করা যাবে।
(ঘ)জে.এস.সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা তার অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন করা যাবে না।
(ঙ) প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ফিস পরিশোধ সাপেক্ষে শিক্ষার্থীকে সকল বোর্ড পরীক্ষার সনদ বুঝিয়ে দিতে বাধ্য থাকবে।
২। শিক্ষার্থী সংগ্রহ( ফিল্ডওয়ার্ক)
(ক) প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রদান ও সহকারি শিক্ষক বাসাবাড়ি দোকান বা অন্য কোথাও গিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির (ছাত্র কালেকশন) উদ্দেশ্যে যেতে পারবেনা। তবে প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী দপ্তরি দাড়োয়ান দ্বারা প্রচার-প্রচারণা করা যাবে।
(খ) লিফলেট হ্যান্ডবিল ব্যানার-ফেস্টুন মাইক ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সংগ্রহের (ছাত্র কালেকশন) উদ্দেশ্যে প্রচার প্রচারণা করা যাবে। কিন্তু কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকের ৫০ গজ এর মধ্যে ব্যানার ফেস্টুন লাগানো যাবেনা।
(গ) জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক দলের প্রভাব ও এলাকার প্রভাবশালীদের দোহাই দিয়ে কোন অভিবাবকের জিম্মায় ভয়-ভীতি দেখিয়ে শিক্ষার্থী সংগ্রহ (ছাত্র কালেকশন) করা যাবে না।
(ঘ) বাসন মেট্রো থানার বাইরে থেকে আগত কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোন শিক্ষক বা তাদের কোনো প্রতিনিধি শিক্ষার্থী সংগ্রহের (ছাত্র কালেকশন) উদ্দেশ্যে আসলে তবে আমাদের এই নীতিমালা হাতে দিয়ে তা অনুসরণ করতে বলবে এর ব্যতিক্রম ঘটলেই আমাদের নীতিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৩। শিক্ষকের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাকরি পরিবর্তন।
(ক) কোন প্রতিষ্ঠানে থেকে কোন শিক্ষক অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিতে চাইলে তাকে কমপক্ষে ০৬ মাসের বিরতি নিয়ে আসতে হবে। কিন্তু চাকরি থেকে অব্যাহতি কৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো আপত্তি না থাকলে যে কোন সময় যে কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরিতে যোগদান করতে পারবে।
(খ)প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুসরণ করে চাকুরি ছাড়লে তার বকেয়া পরিশোধ করে দিতে বাধ্য থাকবে।
(গ) অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত কোন শিক্ষককে কোন প্রতিষ্ঠান চাকুরিতে নিয়োগ দিতে পারবে না।
৪।বেতন সংক্রান্ত
(ক) কোভিট-১৯ এ১০-০৪-২০২০ হতে ০১- ১০- ২০২০ পর্যন্ত সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীর মূল বেতনের ৫৯% আদায় করতে পারবে। যদি কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব কৌশল অবলম্বন করে, অভিভাবকদের বুঝিয়ে তাদের বকেয়া আদায় করতে পারে তাতে সংগঠনের আপত্তি থাকবে না।
(খ) প্রগতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের মতামতের ভিত্তিতে সকল শ্রেণীর জন্য সর্বনিম্ন একটি বেতন কাঠামো তৈরি করা হবে।

Leave a Reply

Top