You are here
Home > দূরনীতি ও অপরাধ > এম.এল.এম এর নামে ডিজিটাল প্রতারণা !!!!

এম.এল.এম এর নামে ডিজিটাল প্রতারণা !!!!

 

ষ্টাফ রিপোটার :

এম.এল.এম প্রতারণার ধরন পরিবর্তন। সূত্র: প্রাইভেট ডিটেশটিভ এর রির্পোটার কৌতহল বশৎ একটি চাইনিজ কোম্পানীতে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করতে গেলে, কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বের হওয়ার অবস্থা।
চাইনিজ কোম্পানীরে নাম: সানহোম টেকনোলজি কো: বাংলাদেশ লিমিঃ ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে আছেন মিঃ এরিক। সহযোগী হিসাবে তার স্ত্রী মিসেস এরিক, তারা স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে বাংলাদেশে এসে এম.এল.এম ব্যবসা পরিচালনা করছে। ফুড সাপ্লিমেন্ট পণ্য দিয়ে নাম মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি পণ্য, সাধারণ মানুষকে দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কিছু অসাধু বাঙ্গালী ভাই বোনদের মাধ্যমে। তারা বাংলাদেশে আসেন সেপ্টেম্বর ২০১৬তে। প্রথম ব্যবসায়িক ঠিকানা ব্যবহার করেন বনানীতে, এবং পরে প্রতারনার নতুন ফাঁদ পাতে প্রগতি স্মরণী নর্দ্দা, বারিধারায়। প্রতিদিন শতশত লোক প্রতারণার স্বীকার হচ্ছে দেখার কেউ নাই। কোম্পানী নতুন সবেমাত্র কাজ করছি। মিঃ রাসেল বলেন, ছবি তুলবেন না। কোম্পানীর সি.ই.ও এর সাথে কথা বলেন। সি.ই.ও এর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের কোন কাগজপত্র নাই। তারা সবেমাত্র আবেদন করেছেন। বাস্তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তারা কোন আবেদন করেন নাই । তারা যা করছেন ভাওতাবাজী, প্রাতারণার নতুন নাটক। ঢাকা শহর সহ দেশে বিভাগীয় শহরগুলোর আভিজাত এলাকায় হাইফাই ডেকোরেশন করে মানুষকে বোকা বানিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় কিছু অসাধু, হোমরা চোমড়াকে কিছু অর্থ নৈতিক সুবিধা দিয়ে তারা এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এভাবে আর কতদিন চলতে পারে ঐ সব ভূইফোড় এম.এল.এম কোম্পানী। মাল্টিলেভেল মার্কেটিং ই-কমার্স মার্কেটিং ও আউট সোর্সিং মার্কেটিং এর নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। বর্তমান যুগে মান্ধাতার আমলে গতিধারা পরিবর্তন করে নতুন সাজে নতুন আঙ্গীকে শুরু হয়েছে রেফারেল সিস্টেম মার্কেটিং এর পদ্ধতি। যা শুভঙ্করের ফাঁকি না কি আই টি সেক্টরের মারপ্যাচ বুঝে উঠতে পারছেনা যুব সমাজ। বর্তমানে যুব সমাজ ভয়াল মাদকের ছোবলে কুপোকাত। তারপর নারী সংক্রান্ত বিভিন্ন ঝই-ঝামেলা তো আছেই। সব মিলিয়ে যুব সমাজ ডিজিটাল নামের গ্যারাকলে পরে সামাজিক মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলছে। অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় যে, বাংলাদেশ সরকার যখন ডিজিটালাইজেন করছেন, সেই সুযোগে কিছু অসৎ আই.টি অভিজ্ঞ যুবক, সমাজের কিছু মাথা মোটা ওয়ালাদের নাম ভাঙ্গীয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাদেরকে দেখার কেউ নেই। দুদক তো দুরের কথা প্রশাসনিক লোকজন ও খোঁজ খবর রাখছেন না। প্রশাসনের নাকের ডগার উপর হাই ডেকোরেশন অফিস দিয়ে সকলকে বোকা বানিয়ে প্রতারক চক্ররা কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ই-কারেন্সির নাম ভাঙ্গিয়ে অন লাইনে কোটি টাকার প্রতারণা। হর হামেশাই ঢুকে যাচ্ছে ডিজিটাল প্রতারনা। প্রাতারণার নতুন ফাঁদ হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে ইন্টানেট, হ্যাঃ সব কিছুই প্রতারণা হয়। কিছু কিছু হাতে গোনা দুই একটি ছাড়া আসন মাল্টি লেভেল মার্কেটিং কোম্পানী আর নেই বর্তমানে দেশব্যাপী চলছে ডিজিটাল প্রতারণা। মাল্টি লেভেল মার্কেটিং একেক সময় একেক রুপ ধরে বিনিয়োগ প্রজেক্ট নিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও। জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমরা মন্ত্রাণালয় থেকে বাছাই করে লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু কোম্পানী গুলো হাইকোর্টে গিয়ে লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যার ফলে সাধারণ মানুষ প্রতারণার স্বীকার হয়। তিনি আরো বলেন, এম.এল.এম আইন ২০১৩ বিধিমালা জারি করার পর ২৭টি কোম্পানীর আবেদন জয়েনস্টকে জমা পরে। যাচাই বাছাই ও সরেজমিনে তদন্ত করে ৫টি কোম্পানীকে লাইসেন্স দেওয়া হয়।

১। এম.এক্স.এন মর্ডান হারবাল লিমিঃ
২। রিজ বিজনেস সিস্টেম লিমিঃ
৩। স্বাধীন অনলাইন পাবলিক লিঃ
৪। ওয়ার্ড মিশন ২১ লিঃ
৫। জার ইলেক্ট্রনিক্স লিঃ
পরবর্তীতে তাদের কার্যক্রম সন্তোষজনক না হওয়ায় নবায়ন অযোগ্য বলে প্রমানিত হয়। বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, যে সমস্ত কোম্পানী রিট মামলা করে কার্যক্রম পরিচালন করছে। তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার জন্য সকল বিভাগীয় কমিশনারের বরাবর চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর পরের অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় দেশবাসীকে সর্তক করছি। ২০১৫ সালের ৪মার্চ সকল লাইসেন্স বাতিল করা হয়। ইতিমধ্যে আবেদনকৃত অনেক কোম্পানী বন্ধ হয়ে গেছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষনার পর অন লাইন ভিত্তিক আনাচে কাঁনাচে এসব ভূইফোড় কোম্পানী তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে যাদের কোন কাগজপত্র নাই। একটি ফুড সাপ্লিমেন্ট পণ্য দিয়ে একাধিক রোগ সেরে যায় বলে সাধারণ মানুষকে বোকা বানাচ্ছে। কেউ কেউ আবার ডিলার বা এজেন্ট দেওয়ার নামে প্রতারনা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা হলুদ,মরিচ, চাউল, ডাউল, দিয়েও এম.এল.এম ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সচেতন সামাজের প্রশ্ন অবিলম্বে চিটারী ব্যবসা বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। নতুন ভূইফোর কয়েকটি কোম্পানীর নাম উল্লেখ্য করা হলঃ ১। ইডই ২. জঋ৩ ৩. ঘড়াবৎড়ঁং ৪. চবহঃধমড়হ ৫. ওষষমধসড়ং ৬. ঙহব ঈড়রহ ৭. ণড় ঈড়রহ ৮. ঞরসবংযড়ঢ় ৯. ওহভরহরঃু ১০. ক-খরহশ ইত্যাদি তারা সকলেই ডিজিটাল প্রতারণার সাথে জড়িত বলে জানা যায়। গত ১৮-০৪-২০১৭ইং দুপুর ৩ঘটিকার দিকে বাংলা ভিশন চ্যানেলের ষ্টাফ রির্পোটার জনাব সানজিদ ও ক্যামেরাম্যান শাহাদত হোসেন বাপ্পি গাজীপুরের লাইফ ওয়ে নামক এম.এল.এম কোম্পানীর প্রতারনার তথ্য উপাত্ত নিতে গেলে তাদেরকে হুমকি প্রদান সহ হাতাহাতির ঘটনা ঘটায়। ঘটনাস্থলে ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেলা হয়। এক পর্যায়ে থমথমে অবস্থার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষনিক ভাবে সাংবাদিকগণ গাজীপুর থানায় গিয়ে বাংলা ভিশন চ্যানেলের গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি জনাব মীর মোঃ ফারুক বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে ১২জনের নাম উল্লেখ্য করে আরো ৫/৬ জন অপ্সাতনামার কথা বলা হয়। আরো উল্লেখ থাকে, ক্যামেরার যন্ত্রপাতি ও মারধরের ঘঁনায় আনুমানিক ২০,০০,০০০/- বিশ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। ইতিপূর্বে একাধিক বার সাংবাদিকসহ অন্যান্য লোকদের লাঞ্চিতের ঘটনা তারা ঘটিয়েছে। তারা সংজ্ঞবদ্ধ হওয়ায় সাংবাদিক বা অপরিচিত লোক দেখলেই এ ধরনের অবাঞ্চিত ঘটনার জন্ম দেন। তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চান না।

Leave a Reply

Top