আইয়ুব বাচ্চুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালন – Live News BD, The Most Read Bangla Newspaper, Brings You Latest Bangla News Online. Get Breaking News From The Most Reliable Bangladesh Newspaper; livenewsbd.co
You are here
Home > Uncategorized > আইয়ুব বাচ্চুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

আইয়ুব বাচ্চুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালন

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ গত ১৮ই অক্টোবর ২০১৯ রোজ শুক্রবার গাজীপুর বাঙ্গালগাছে অবস্থিত সচলবাড়ীতে পালিত হলো সংস্কৃতি চর্চালয় (সচল) কর্তৃক আয়োজিত কিংবদন্তী তারকা শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। গুণী এই শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সচল আয়োজন করে দোয়া মাহফিল ও নিবেদিত সংগীতায়জন “রূপালি গিটার”।

শিল্পী মনের নীরব অভিমানে রুপালি গিটার ছেড়ে চলে যাওয়ার আভাস দিয়েছিলেন অনেক আগেই, কিন্তু সে সময়টা যে এত তাড়াতাড়ি সেটা ভাবতে পারেননি কেউই। সেই সময়টা যেদিন এলো তখন অশ্রু গোপন করে রাখতে পারেনি শিল্পীর অগণিত ভক্তকুল। গত বছরের ঠিক এইদিনে অগণিত ভক্তকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন কিংবদন্তী এই অভিমানী সুরস্রষ্টা ও সংগীতশিল্পী।

আইয়ুব বাচ্চুর আত্মার মাগফেরাত কামনায় সচল আয়োজন করে “খতমুল কোরআন ও দোয়া মাহফিল”। দোয়া মাহফিলে দোয়া পরিচালনা করেন শাইখুল হাদিস মাওলানা আজিজুল হক সাহেব।

শেষ বিকেলে সূর্যের বিদায়ের সাথে সাথেই সচল সভাপতি মনির মুন্‌না সংকলিত আইয়ুব বাচ্চুর জীবনী পাঠ করেন শহীদুন্নেছা সুইটি। উপস্থিত সকলের মনে তখন আইয়ুব বাচ্চু হারানোর শোক আধারাচ্ছন্ন করতে লাগলো। আর তখনই রুপালি গিটার গানটি নিয়ে মঞ্চে আসেন সংগীতশিল্পী মোর্শেদ ভূইয়া বর্ষণ। তার সুন্দর গায়কীতে দর্শক হৃদয় সুরে সুরে আচ্ছন্ন। এরপর একে একে আইয়ুব বাচ্চুর গানের ডালি নিয়ে হাজির হন ইমাম সাজিদ, নীল কমল, খোরশেদ আলম, ফকির লোকমান, তানিয়া খাঁন, জুঁই জেসমিন, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ও কবি মোস্তফা। প্রচুর দর্শক উপস্থিতি এবং তাদের গানের সাথে একাত্ম হয়ে যাওয়া, অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত ও সার্থক করে তোলে।
অনুষ্ঠান মঞ্চকে ভিন্নমাত্রা যোগ করে চিত্রশিল্পী মতিয়ার রহমান ও সখিনা জামান বর্ণার আঁকা আইয়ুব বাচ্চুর দুটি পোট্টেট। মঞ্চের সামনে যেন জীবন্ত আইয়ুব বাচ্চু হাজির হয়েছিলেন তার দর্শক শ্রোতা ভক্তদের বিমোহিত করার জন্য।

এছাড়াও সচল আয়োজন করে আইয়ুব বাচ্চুর পোট্রেটের উপর শিশু কিশোরদের এক চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগীতা শেষে পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

সবশেষে ছিল গণভোজের আয়োজন।

বেদনাবিধুর সন্ধ্যার সব নীরবতা শেষ করে যখন অনুষ্ঠান শেষ হচ্ছিল তখন একটি গানই মনে পড়ছিল-
হাসতে দেখ, গাইতে দেখ
অনেক কথায় মুখর আমায় দেখ।
দেখনা কেউ হাসি শেষে নীরবতা।

রূপালি গিটার অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন শিল্পী তানিয়া খান ও কবি দন্ত্যন-ন লিটন । সমস্ত আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন কবি ও কথা সাহিত্যিক মনির মুন্‌না ।

Leave a Reply

Top